

তোমাকে ভাবতেই সুখের স্রোতে ভিজে যায় বুক
দুটিচোখ সারাক্ষণ থাকে তৃষ্ণার্ত
তোমাকে দেখতে একবার।
একি এক মায়া ধরে রেখেছো তোমার ঐ সুমধুর কণ্ঠে
যতো শুনি ততোই পিপাসা বাড়ে
ইচ্ছে হয় অহো-রাত্রি শুনি তোমার সুমিষ্ট বাণী,
যখন তোমার কথা শুনি বুকের ভেতর উঠে ঢেউ
উথাল-পাথাল,
যেন অমিয় সুধা পান করে চলেছি ক্রমাগত।
এতো ভালবাসি এতো কাছে চাই
তুমিতো কোনদিন বুঝতে চাওনি আমাকে,
পিয়াসি চাতকের মতো তোমায় ভেবে দিনগুলো কাটে
তবুও তুমি অবুঝের মতো অভিমান করে বসে আছো।
অনেকদিন হলো তোমাকে দেখিনি
কাছেও আসনি, তোমার অমৃত স্পর্শ থেকে যেমন বঞ্চিত এই বিষণ্ণ হৃদয়, তেমনি কর্ণকুহরে ভেসে আসেনি তোমার বিমুগ্ধ কথাগুলো।
দুচোখে দেখছি শুধু অমাবস্যার অন্ধকার
প্রতীক্ষা এখন কখন আসবে ফিরে সেই সোনালি সকাল।
শীতের দুপুরে জানালার পাশে বসে
তোমাকে ভাবছিলাম
ঠিক তখনি সেল ফোনে ভেসে আসলো তোমার
মায়ায় ভরা ছোট্ট একটি ধ্বনি” কেমন আছেন”।
মুহূর্তে আমি উৎফুল্ল হয়ে উঠলাম, পাহাড়ি ঝর্নার
ছন্দ খুঁজে পেলাম বুকের নিতলে, দুচোখের পাতা
নেচে উঠলো সীমাহীন অনন্দে, তোমার আলোয়
বিভাসিত হলো আমার বিমর্ষ অন্তর,
মনে হল এই একটি কথা শুনার জন্য
অপেক্ষায় ছিলাম হাজার বছর।