

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের ১৪টি জেলায় ২০ স্পটে নিয়মিত ট্রেনে পাথর ছোঁড়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলার পাঁচটি চিহ্নিত এলাকা হলো-চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুন্ড, বাড়বকুন্ড, ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ এবং নরসিংদী জেলার নরসিংদী, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা।
অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার ১৫টি এলাকা হলো-চুয়াডাঙ্গার চুয়াডাঙ্গা আউটার, নাটোরের আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন, সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী রেলওয়ে স্টেশন, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার মুলাডুলি রেলওয়ে স্টেশন, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার কিসমত-রুহিয়া, পাবনার ভাঙ্গুরা রেলওয়ে স্টেশন, বগুড়ার ভেলুরপাড়া রেলওয়ে স্টেশন, গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন, সলপ রেলওয়ে স্টেশন, জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার বড়ালব্রিজ রেলওয়ে স্টেশন এবং খুলনার ফুলতালা রেলওয়ে স্টেশন এলাকা।

গত ৯ মাসে এসব এলাকায় চলন্ত ট্রেনে ১১০টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেনের জানালার গ্লাস ভেঙেছে ১০৩টি এবং আহত হয়েছেন ২৯ রেলযাত্রী ও কর্মী।
রোববার রেলভবনের যমুনা সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এসব তথ্য জানান। চলন্ত ট্রেনে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ রোধে রেলওয়ের নেওয়া ব্যবস্থা ও মিডিয়ার ভূমিকার ওপর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একটি ভয়াবহ সমস্যা। বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ডের মতো উন্নত দেশগুলোতেও এই সমস্যা রয়েছে।