

হঠাৎ জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। এরপর অবসর ভেঙে ফিরলেও নাটকীয়ভাবে বাদ পড়েন বিশ্বকাপ দল থেকে। এরপর আর লাল-সবুজের জার্সিতে দেখা যায়নি দেশসেরা এই ওপেনারকে। এবার আবারো আলোচনায় তামিম। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবেন কিনা তা নিয়ে চলছে আলোচনা। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। কানপুর টেস্টে ধারাভাষ্যকার হিসেবে ব্যস্ত তামিম জানান, জাতীয় দলের হয়ে ফিরতে চান তিনি। তবে সেটি হতে হবে বিসিবির পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে।
লাল-সবুজের জার্সি গায়ে ফিরে আসার ব্যাপারে তামিম বলেন, ?‘যেভাবে আমি বিদায় নিয়েছিলাম, সেটা মোটেই সুখকর ছিল না। যদি আমি আবার ফিরে আসি, তাহলে আমার জন্য একটা উদ্দেশ্য থাকা প্রয়োজন।
আমি এমন কেউ নই যে শুধু খেলার জন্য ফিরে আসব এবং চার-পাঁচটি ম্যাচ খেলব। এর কি কোনো মানে হবে? সবাই বলে, ‘ফিরে আস, আমরা তোমাকে চাই’, কিন্তু আমি যদি পাঁচটি ম্যাচ খেলে ফিরে যাই, তাহলে সেটা কি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কোনো কাজে আসবে? যদি তারা একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আসে এবং আমরা আলোচনা করতে পারি, তাহলে আমি চিন্তা করতে পারি।’
আগামী বছর পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। টুর্নামেন্টটি সামনে রেখে তামিমের দলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ ব্যাপারে সাবেক এই অধিনায়ক জানালেন, ‘এখন আপনি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথা বলছেন, যেখানে আপনার চার থেকে পাঁচটি ওয়ানডে থাকবে বড়জোর এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে তিনটি আছে। মূলত আপনি ছয় থেকে সাতটি খেলার কথা বলছেন।
আমি যে জায়গা থেকে সরে এসেছি এবং অন্য কেউ আমার ভূমিকা নিয়েছে, তখন আমি মনে করি না যে, এই কয়েকটি ম্যাচের জন্য আমার ফিরে আসা বোধগম্য।’ তামিম আরো যোগ করে বলেন, ‘তবে এটা ভিন্ন জিনিস। যদি তারা (বিসিবি) আমাকে বলে যে আমরা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিততে চাই বা অন্তত আমরা সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে চাই এবং সম্ভবত এটাই হবে শেষ টুর্নামেন্ট, যেখানে তিন বা চারজন সিনিয়র খেলোয়াড় খেলবে। পার্থক্য যাই হোক না কেন খেলবে এবং বিসিবি তা ঠিক করবে। এভাবেই এলে প্রস্তাবটা আসতে হবে।’ মাঠে ফেরার জন্য সতীর্থদের ভূমিকার কথাও বলেছেন তামিম। তিনি জানান, ‘কথা হলো- আমি কী ক্রিকেট বোর্ডের হয়ে খেলব, নাকি দলের হয়ে? অনুরোধ কোথা থেকে আসা উচিত? ক্রিকেট বোর্ড আমার দেখাশোনা করে কিন্তু খেলোয়াড়দেরও স্বাগত জানাতে হবে।
নিউজ /এমএসএম