

মৌলভীবাজারে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আসন্ন দুর্গাপূজা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন জেলা প্রশাসক।
এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। গতকাল দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পূজা উদ্যাপন কমিটির জেলা ও উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা কঠোরভাবে রক্ষার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জেলার বিভিন্ন সীমান্তে কঠোর নজরদারী বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ৪৬-বিজিবি’র সিইও লে. কর্নেল মিজানুর রহমান সিকদার। মৌলভীবাজার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনীর কমান্ডার লে. কর্নেল তাহমিদ আহমেদ জানান- পূজার এক সপ্তাহ আগে থেকে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হবে।
জেলা প্রাশাসক বলেন, আইনশৃঙ্ঘলা বাহিনীর সকল সদস্য মাঠে কাজ করবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. মহসিন বলেন, যেকোনো মূল্যে গুজব রটনা ব্যাহত করতে কাজ করছে পুলিশ বাহিনীর একটি চৌকস দল। সভায় জেলা প্রশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। পূজার সময় লোডশেডিং না করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
পূজায় প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী রাখার কথাও বলা হয়। উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলুল করিম, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মৌলভীবাজারের ডিজিএম মো. জিয়াউল হক, র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প কমান্ডার মাহমুদুল হোসাইন, পূজা উদ্যাপন জেলা কমিটির সম্পাদক মহিম দে সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। জেলায় এ বছর ৯৯৩টি পূজামণ্ডপে পূজা উদ্যাপন হবে।
নিউজ /এমএসএম