

স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা, প্রভাব খাটানোসহ একের পর এক মনগড়া সিদ্ধান্ত, বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা, অদূরদর্শিতা, মনগড়া ভাবে দাতা সদস্য নিয়োগ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্র-জনতার তোপেরমুখে তদন্ত টিম গঠন করে বুধবার বিকালে বাধ্যতামুলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি র.প.উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক লূৎফুর রহমানকে।
হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক স্কুল গর্ভনিংবডির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাশ অনুপ এ নির্দেশ প্রদান করেন।
জানা যায়, ১৯৯৬ সালে প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান যোগদানেরপর থেকেই স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগবানিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা, প্রভাব খাটানো, নিয়ম বহিভূর্ত ভাবে দাতা সদস্য নিয়োগসহ একের পর এক মনগড়া সিদ্ধান্ত, বিদ্যালয়েরভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা, অদূরদর্শিতা ও নানা অনিয়মের কারণে দীর্ঘদিনধরেই তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এসবঅভিযোগে এর আগে একবার বহিস্কারও হয়েছিলেন তিনি। তার নানাঅনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবারছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিল করে স্কুলের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে সব শিক্ষককে জিম্মি করে ফেলে। তারা সব শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করে।
পরে স্কুলের গভনিং বডির সভাপতি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম কুমার দাশ অনুপ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপ করে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি র.প. উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক লূৎফুর রহমান কে ৩মাসের জন্য ছুটিতে পাঠান ও একটি তদন্ত টিম গঠন করেন।
তিনি বলেন এই তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে যোগদান করতে পারবেন না। এই ঘোষনা দেওয়ার পর বিক্ষোভকারী ছাত্র ছা্ত্রী স্কুল ত্যাগ করেন।