

দুই ঘণ্টার বেশি বন্ধ থাকার পর সচল পূর্ণগতিতে সচল হয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। একদিন পর চালু হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন ব্যবহারে কোন সমস্যা হচ্ছে না।
সোমবার (৫ আগস্ট) বেলা একটায় ব্রডব্যান্ড ও বেলা দেড়টার পর মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়। ফলে আবারো স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা।
ইন্টারনেট সংযোগদাতাদের সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এমদাদুল হক সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, এখন পুরো ইন্টারনেট ব্যবস্থা খুলে দেয়া হয়েছে। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্যাশও খুলে দেয়া হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক গতিতে দেশের ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ইন্টারনেট চলছে।
রবিবার দুপুর ১২টার পর মোবাইল সংযোগদাতাদের ফোর-জি ইন্টারনেট বন্ধ করতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে বন্ধ ছিলো মোবাইল ইন্টারনেটও।
এর আগে সোমবার সকাল ১০টার পর ব্রডব্যান্ড সংযোগ বন্ধ করতে বলা হয় সরকারের পক্ষ থেকে। এরপরের কয়েক ঘণ্টা দেশ কার্যত ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন ছিল।
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে ১৭ জুলাই রাত থেকে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ও ১৮ জুলাই রাত ৯টায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। ২৩ জুলাই রাতে দেশে সীমিত পরিসরে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট–সেবা চালু হয়। ২৮ জুলাই বেলা ৩টায় মুঠোফোনে ফোর-জি ইন্টারনেট চালু হয়। ইন্টারনেট চালু হলেও এসময় বন্ধ ছিল ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম। এ ছাড়া বন্ধ করা হয় টিকটকও। ৩১ জুলাই চালু করা হয়েছিল ফেসবুক।
নিউজ /এমএসএম