শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কারি শিল্প রক্ষায় পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন শাহজালাল মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত গৎবাঁধা পদ্ধতিতে প্রকল্প চালানো যাবে না- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি ফের শালবাহান ইউপির দায়িত্বে আশরাফুল ইসলাম সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত জনগণের সমর্থনে আওয়ামী লীগ শীঘ্রই শক্তিশালী হয়ে ফিরবে—-শেখ হাসিনা শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু নিলামে বিক্রি রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেরাজুল হোসেন এর দাফন সম্পন্ন

অর্থ পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলা টিভির এমডিসহ পাঁচ পরিচালককে দুদকে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০২৩
  • ২৪১ এই পর্যন্ত দেখেছেন

অর্থ পাচার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হকসহ প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ পরিচালককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার (২৮ মে) দুদকের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত নোটিস জারি করা হয়।  দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আখতার মনির স্বাক্ষরিত নোটিসে বলা হয়, বাংলা টিভির শেয়ার হস্তান্তরের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাত ও অর্থ পাচারের সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও তদন্তের স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক, পরিচালক কে এম আখতারুজ্জামান, পরিচালক মীর নুর উস শামস শান্তনু, কে এম রিফাতুজ্জামান ও পরিচালক মনিরুল ইসলামের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। এজন্য তাদের আগামী ৭ জুন দুদকের প্রধান কাযালয়ে হাজির হতে বলা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সৈয়দ সামাদুল হক ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লন্ডনে বাংলা টিভি নামে একটি টিভি চ্যানেল পরিচালনা করে আসছিলেন। নানা অসঙ্গতির কারণে টিভি চ্যানেলটি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রয়াত সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিষ্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর মাধ্যমে ২০১৬ সালে বাংলাদেশে বাংলা টিভি নামে একটি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের অনুমোদন নেন সামাদুল হক।

টেলিভিশনটি পরিচালনার জন্য প্রথমদিকে সিলেটের ব্যবসায়ী রাগীব আলীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে তাকে চেয়ারম্যান করা হয়। তার কাছে শেয়ার বিক্রির নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেন সামাদুল হক। এ ছাড়া রাগীব আলীর ৮৩‌ নম্বর সিদ্ধেশরীর ভবনে টেলিভিশনের কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করেন। কিন্তু বিভিন্ন মামলায় রাগীব আলী কারাগারে গেলে পরবর্তীতে আখতার ফার্নিচারের মালিক কে এম আখতারুজ্জামান ও তার ছেলে কে এম রিফাতুজ্জামান এবং বিটিভির সংবাদ পাঠক মনিরুল ইসলামের কাছে শেয়ার বিক্রি করেন।

শেয়ার দেওয়ার কথা বলে আক্তারুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ কোটি টাকা নেন সামাদুল হক। কিন্তু জয়েন স্টক কোম্পানির মাধ্যমে তাকে মালিকানা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে সামাদুল হকের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। অপরদিকে বিটিভির সংবাদ পাঠক ছয় কোটি টাকা দিয়ে কীভাবে বাংলা ১২ পার্সেন্ট টিভির শেয়ার কিনেছিলেন তা নিয়ে অনেক আগ থেকেই অনুসন্ধান করছিল দুদক। অভিযোগ রয়েছে, সামাদুল হক ওই টাকাও নিয়ে নেন। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে তিনি বাংলা টিভিতে ইনভেস্ট না করে নিজের এবং পরিবারের জন্য বাড়ি-গাড়ি ও ফ্ল্যাট কেনেন। এমনকি বিপুল অর্থ পাচার‌ও করেন বলে অভিযোগ রয়েছে দুদকের কাছে।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102