

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউপির সরকারপাড়ায় অবৈধভাবে সার মজুতের দায়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে আটক ও ২৬৩ বস্তা সার উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মেসার্স রুম্পা ট্রেডার্স অবৈধ ভাবে এ সারগুলো মজুত করে রাখা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা ২৬৩ সারের বস্তা উদ্ধার করেন।এ ঘটনায় বিসিআইসির ডিলার ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফা জামান রাজুকে আটক করা হয়েছে।
জানা যায়, মেসার্স রুম্পা ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারি সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি
বাজারের সারের দাম কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি লক্ষে অবৈধভাবে দুটি স্থানে ২৬৩ বস্তা ডিএপি সার মজুদ করে রেখেছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে বুড়াবুড়ি সরকারপাড়ার এলাকার ফয়জুল হকের বাড়ি থেকে ১৭৩টি বস্তা ও মোস্তফা জামান রাজুর চা বাগানের একটি ঘর থেকে ৯০ বস্তা উদ্ধার করা হয়। ওই অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে একটি টিম সার উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন সেসময়ে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, বুড়াবুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান তারেক হোসেনসহ সঙ্গীয় পুলিশ ও সাংবাদিকবৃন্দ।
এব্যাপারে বুড়াবুড়ি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফা জামান রাজু বলেন, আমি সারের ডিলার। আমি তো চুরি ডাকাতি করিনি। বুড়াবুড়ি বাজারে গোডাউন না পাওয়ায় এখানে রাখতে হয়েছে। এসব বিষয়ে কোন আইন জানা না থাকায় এভাবে রেখেছিলাম।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, সার জব্দের ঘটনায় বিসিআইসির ডিলার মেসার্স রুম্পা ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মোস্তফা জামান রাজুকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলমান।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, মেসার্স রুম্পা ট্রেডার্সের মালিক ও ডিলার মোস্তফা জামান রাজু তার গোডাউনে সার না রেখে বাজারে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির লক্ষে অবৈধভাবে ২৬৩ সার মজুত করে রাখার এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আমরা প্রথমে একটি বাড়ি থেকে ১৭৩ বস্তা ও অন্য একটি স্থান থেকে ৯০ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করে জব্দ করি।
এবিষয়ে মডেল থানা ওসি আবু সাঈদ চৌধুরি জানান, এ ঘটনায় বিসিআইসির ডিলারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তাকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।