আকস্মিক দুর্ঘটনা, বদনজর, জাদু, জিনের আসর ইত্যাদি সব রকম বিপদ-আপদ থেকে থেকে নিরাপত্তার জন্য নবিজির (সা.) শেখানো এ দুটি আমল করতে পারেন। নবিজি (সা.) থেকে গ্রহণযোগ্য সূত্রে আমলদুটি বর্ণিত হয়েছে।
সুলতানুল আরেফিন, কুতবুল আউলিয়া শাহ সূফী আল্লামা আব্দুল মান্নান চৌধুরী শিঙ্গাইরকুড়ি ছাহেব (রহ.) এর ৪৩ তম ঈসালে সাওয়াব মাহফিল আগামী ১লা জানুয়ারি ২০২৪ ইংরেজি সোমবার জকিগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রী ইউনিয়নের বরকতপুরস্থ
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদের সামনে খুতবা দিতে দাঁড়ালেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করার পর তিনি বললেন, লোকসকল! এই দুনিয়া অস্থিরতার
আল্লাহর পক্ষ থেকে হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সিজদার নির্দেশ অস্বীকারের মধ্য দিয়ে মানুষের সঙ্গে শয়তানের শত্রুতা শুরু হয়েছে। এখনো সে শত্রুতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এ জন্য হাদিসে শয়তানের ধোঁকা থেকে
মানুষের জীবনে যেমন ভালো সময় আসে, অনেক খারাপ সময়ও আসে। অনেক আশাভঙ্গ ও অপ্রাপ্তির মধ্য দিয়ে মানুষের জীবন এগিয়ে যায়। ইসলামের শিক্ষা হলো, ভালো ও খারাপ সব অবস্থায় আল্লাহর ওপর
উপকৃত হয়ে উপকার স্বীকার করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ মুমিন ব্যক্তির অন্যতম একটি গুণ। উপকৃত হয়ে তার উপকারের প্রশংসা করে মনে কষ্ট না দিয়ে সহযোগিতা করাই হলো কৃতজ্ঞতা। সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী,
অবিশ্বাসীরা দুনিয়ায় তাদের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য দেখে নিজেদের সফল মনে করে। ভাবে তারা অনেক উন্নতি করে ফেলেছে, অনেক এগিয়ে গেছে। কোরআনে আল্লাহ তাদের এই আত্মপ্রবঞ্চনার সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি নেক কাজে অগ্রসর
২০২৪ সাল হজে যেতে নিবন্ধন শুরু হবে আগামী ১৫ নভেম্বর। নিবন্ধন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ
তওবা মানে ফিরে আসা; সঠিক পথে ফিরে আসা, আল্লাহর পথে ফিরে আসা, জান্নাতের পথে ফিরে আসা। মানুষ যখন গুনাহ করে, আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়, তখন সে জাহান্নামের পথে এগিয়ে যায়।
গোটা পৃথিবীর মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন পবিত্র আল আকসা। পবিত্র কোরআনে আল আকসার কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাতের বেলায় ভ্রমণ