“জাজিরাতুল আরব যখন আইয়ামে জাহেলিয়াত বা পাপাচারের অন্ধকারে ডুবে ছিল,আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃংখলা।তখন মানুষ হানাহানি ও কাটাকাটি সহ নানান অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। এমনকি মূর্তিপূজা করত। সেই
আরবী বছরের তৃতীয় মাস ‘রবিউল আউয়াল’ এ মাস খুবই ফজিলত ও বরকতের মাস। অধিকাংশ আলেমগণের মতে রমযানের পরই রবিউল আউয়ালের মর্যাদা। রমযান মাসের মর্যাদা অধিক হওয়ার কারণ এ মাসে কুরআন
কারো কোনো অর্জন বা গুণ দেখে অসহ্যবোধ করা, তার ওই গুণ, অর্জন বা সাফল্যের ধ্বংস চাওয়া এবং নিজে তা অর্জন করার আকাঙ্খাকে হিংসা বলা হয়। মানুষের মধ্যে থাকা খারাপ প্রবৃত্তিগুলোর
রাজনীতি হচ্ছে মানব সেবার একটি বিশেষ মাধ্যম্, এই বিশেষ মাধ্যমটিকে যারা সঠিক ভাবে কাজে লাগিয়েছেন তারাই বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বিশেষ করে বিশ্বের নীপিড়িত, হতদরিদ্র দেশগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা
শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। আজ আমরা জীবনের যেখানেই প্রতিষ্ঠিত থাকি না কেন, আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। শিক্ষকমাত্রই বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের ব্যক্তি।শিক্ষাকে
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বন্যা ৫৭ লাখের বেশি মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি অগণিত পরিবারকে করেছে গৃহহীন। দেশের বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক জনগোষ্ঠী হারিয়েছে তাঁদের জীবিকা ও সম্পদ । তবে
দুনিয়ার জীবন হল ক্ষণস্থায়ী, অচিরে কিয়ামত হবে এবং এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। ঈমান ও আমল অনুযায়ী মানুষের জন্য জান্নাত ও জাহান্নামের ফয়সালা হবে। প্রত্যেক মুসলিম কিয়ামতকে বিশ্বাস রাখে।
ঠিক তিন সপ্তাহ আগের এক সোমবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যাতেই চরম নাটকীয় পরিস্থিতিতে দিল্লির কাছে হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে এসে অবতরণ করেছিলেন বাংলাদেশের সদ্য-সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যে বিমানে করে
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাহায্য করাও ইবাদত।প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যে কোনো বিপর্যয়ে মানুষ যখন বিপদাপন্ন ও বর্তমানে বন্যার কারণে মানুষ দিশেহারা অবস্থায় এ সময় তাদেরকে আর্থিক সহায়তা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসেবা
‘একজন প্রকৃত মুসলমান সে-ই, যার হাত ও মুখ থেকে অন্যরা নিরাপদ থাকে।’ কতই না চমৎকার ও সম্প্রীতির শিক্ষা আমাদের প্রিয় নবি ও শ্রেষ্ঠ নবি (সা.)-এর। আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে যখন মহানবি