দেশে চলমান বন্যায় ১১ জেলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২৪ জন। সোমবার (২৬ আগস্ট) সচিবালয়ে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ
দেশের ১১ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া এসব এলাকায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সরকারি সংস্থাটির
উজানে ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে বন্যায় দেশের ১১ জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২৯ পরিবার। তবে নতুন করে কোনো
শনিবার দিবাগত রাত ১টার মধ্যে দেশের ৯ অঞ্চলে বজ্রসহ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকেও সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি। শনিবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ
দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘গণত্রাণ’ কর্মসূচিতে ত্রাণ পৌঁছে দিতে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে টিএসসির ফটকে স্থাপিত
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী কুরমা বিওপি এলাকায় বন্যার্তদের জরুরী উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছে বিজিবি। একই সাথে বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবারও বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের ৪৬ বিজিবি’র পক্ষ হতে
টানা তিনদিনের আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির কবলে গোটা মৌলভীবাজার। ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে ইতিমধ্যে জেলার মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে
গত তিন দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, রাজনগর, জুড়ী, কুলাউড়া ও সদর উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক গ্রাম। বুধবার
দেশের অভ্যন্তরে ও উজানে ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যগুলোতে অতিভারী বৃষ্টিপাত আরও ছয়দিন হতে পারে। ফলে দেশের অভ্যন্তরে বন্যা পরিস্থিতির আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অফিস এবং
দেশের চার বিভাগে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর কারণে কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।