বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনীতির সাতকাহন ও জনগণের আর্তনাদ ! দেশের পরিবর্তনে অবশ্যই হ‍্যা ভোট দিতে হবে— এম. সাখাওয়াত হোসেন হবিগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন প্রত‍্যাহার করেননি শেখ সুজাত। চ‍্যালেন্জের মুখে বিএনপির প্রার্থী গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোল বন্দরে চাঁদাবাজি ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার নিয়ে উদ্বেগ বোদায় ট্রাক্টর চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত কামাল মনসুর এর প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আত্ম মর্যাদাশীল মানুষ হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াতে হবে

১১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা এমএলএম এমটিএফই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৮৯ এই পর্যন্ত দেখেছেন

বাংলাদেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের নামে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বন্ধ হয়েছে দুবাই ভিত্তিক এমটিএফই নামক একটি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থই বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের বলে অভিমত সাইবার বিশ্লেষকদের।

এমটিএফই মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম পঞ্জি মডেলে ব্যবসা করতো। ভারত ও বাংলাদেশ থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিনিয়োগকারী ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেন একাধিক সাইবার বিশ্লেষক এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, অনেকদিন থেকেই আমরা এই প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে সতর্কতা দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু মানুষ লোভের ফাঁদে পড়ে এখানে টাকা দিচ্ছিল। তিন দিন আগে জানতে পারি যে, এখানে যারা টাকা দিচ্ছিলেন তারা আর টাকা উঠাতে পারছিলেন না। আজ পুরোপুরিভাবে এমটিএফই তাদের সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছে।

আরেক সাইবার বিশ্লেষক মাহবুবুর রহমান বলেন, এটা একটা স্ক্যাম। বাংলাদেশে তাদের কোন অফিস নেই, কোন নির্দিষ্ট জনকাঠামো নেই। স্থানীয় কিছু এজেন্টদের দিয়ে তারা মানুষের থেকে টাকা নিতো। তারপর তাদেরকে আবার অন্য বিনিয়োগকারীদের আনতে বলতো। এমএলএম বা পনজি যেভাবে কাজ করে আর কি। ডেসটিনি যেমন গাছ দেখিয়ে টাকা নিয়েছে, এরা ক্রিপ্টোকারেন্সি বলে সাধারণ মানুষদের থেকে টাকা নিয়েছে। বিনিয়োগের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মুনাফা পাওয়া যাবে এমন লোভ দেখানো হতো।

তিনি আরও বলেন, তাদের ওয়েবসাইটে ছিল, অ্যাপ ছিল। সেই অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং বা বাইন্যানসের মাধ্যমে তারা টাকা নিতো। পরে স্থানীয় এজেন্টরা সেটি বাইরে পাচার করতো। বাংলাদেশে এসএসসি এবং এইচএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মুনাফার লোভ দেখিয়ে টার্গেট করা হতো। মুন্সীগঞ্জের অনেক কিশোর এবং তরুণ এর শিকার হয়েছে।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102