

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ইউরোপজুড়ে ছাত্ররা স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে। প্রস্তাবিত মাসব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে মহাদেশজুড়ে ২২টি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
জার্মানির উলফেনবুটেল, ম্যাগডেবার্গ, মুনস্টার, বিলেফেল্ড, রেগেনসবার্গ, ব্রেমেন এবং বার্লিনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করা হয়েছে। স্পেনের বার্সেলোনার স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জলবায়ু সংকটের উপর পাঠদানের আয়োজন করেছে। বেলজিয়ামে ৪০জন শিক্ষার্থী ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান ধর্মঘট করেছে। চেক প্রজাতন্ত্রে প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাইরে শিবির করেছে। যুক্তরাজ্যের লিডস, এক্সেটার ও ফালমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিবির করে অবস্থানের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
পর্তুগালের লিসবনে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠান অবরুদ্ধ করা হয়েছে। যুবকরা সাতটি স্কুল এবং দুটি বিশ্ববিদ্যালয় অবরুদ্ধ করেছে। বৃহস্পতিবার তারা একটি উচ্চ বিদ্যালয়কে তৃতীয় দিনের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য করেছিল। ওই দিন লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক অনুষদের শিক্ষার্থীরা ডিন অফিসে নিজেদের অবরুদ্ধ করে রাখে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে পর্তুগিজ রাজধানীতে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তরুণরা। গত সপ্তাহে অবরোধ শুরু করা শিক্ষার্থীদের উচ্ছেদের জন্য পুলিশকে ফোন করেছিল একটি স্কুলের শিক্ষকরা।
‘এন্ড ফসিল: অকুপাই!’ ব্যানারে প্রচারণার অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের এই আন্দোলন গড়ে তুলেছে।
প্রচারাভিযানের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ফসিল শেষ করুন: দখল করুন! কৌশল এবং দাবিতে যুব জলবায়ু আন্দোলনকে তীব্র করছে। ধর্মঘটের পরিবর্তে পেশা। বিজ্ঞানকে শোনার পরিবর্তে জীবাশ্ম অর্থনীতি শেষ করুন। ফসিল শেষ করুন: দখল করুন প্রচার ২০১৯ সালে সর্বশেষ দেখা যুব জলবায়ু আন্দোলনের আগুনকে উস্কে দিয়েছে।
নিউজ/এম.এস.এম