

স্টাফ রিপোর্টার: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি ও ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ পাঠক, সাংবাদিক, নাট্য এবং চলচ্চিত্র শিল্পী কাফি খান ইন্তেকাল করেছেন।বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল কাফি খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, মরহুম কাফি খান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। একদিকে সাংবাদিকতা, অন্যদিকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সবখানেই তার অসামান্য প্রতিভা তাকে এক স্বতন্ত্র মাত্রা দান করেছিল। বিচক্ষণতা ও সফলতার সাথে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রেস সেক্রেটারীর গুরু দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জিয়াউর রহমানের সাথে দেশী-বিদেশী গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিবিড় যোগাযোগ ও সেতুবন্ধন রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি বলেন, শুধু গণমাধ্যম নয়, দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে সেসময় তিনি নেপথ্যচারীর ভূমিকাও পালন করেছিলেন। দেশ, রাজনীতি, রাষ্ট্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের চিন্তা, চেতনা, নীতি ও আদর্শ তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সাবলীল ভাষায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তুলে ধরতে নেপথ্যে কাজ করেছেন। তিনি শহীদ জিয়ার অত্যন্ত বিশ্বস্ত ছিলেন এবং শহীদ জিয়া তার ওপর আস্থা রাখতেন। ফখরুল বলেন, ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান কাফি খান জিয়াউর রহমানের প্রেস সচিব হিসেবে যে দক্ষতা ও প্রাজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন তা অতুলনীয়। তার মৃত্যুতে জাতি সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক উজ্জল নক্ষত্রকে হারালো।বিএনপি মহাসচিব বলেন, সাংবাদিক কাফি খানের মৃত্যুতে দেশবাসী ও তার পরিবার-পরিজনদের মতো গভীরভাবে মর্মাহত। আমি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, স্বতীর্থ ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।