রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

আইন সংশোধন করে শব্দ দূষণ বন্ধ করা হবে: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩১২ এই পর্যন্ত দেখেছেন

মোঃ শাহজাহান মিয়া, সচিবালয়:শব্দ দূষণ বন্ধে প্রয়োজনে বিদ্যমান আইনের পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।বুধবাার( ২৮ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।মন্ত্রী বলেন, “সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সচিবালয়ের চারপাশে নীরব এলাকা বাস্তবায়ন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তাবায়ন করা হবে। বর্তমানে আগারগাঁও এলাকাসহ সকল সিটি কর্পোরেশনে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে যেখানে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।“সকল নীরব এলাকা শব্দমুক্ত করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, বিআরটিএসহ বিভিন্ন সংস্থা একসাথে কাজ করবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন প্রবর্তন এবং কঠোরভাবে বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

‘প্রটেক্ট ইয়োর হিয়ারিং, প্রটেক্ট ইয়োর হেলথ’ শীর্ষক ওই কর্মাশালার আয়োজন করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’।যুক্তরাষ্ট্রের ‘সেন্টার ফর হিয়ারিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ বা লীগ ফর দ্য হার্ড অব হেয়ারিং ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিবছরের এপ্রিল মাসের শেষ বুধবারকে শব্দ সচেতনতা দিবস হিসেবে পালন করছে।রাজধানী ঢাকার শব্দ দূষণের কথা তুলে ধরে পরিবেশ শাহাব উদ্দিন বলেন, “ঢাকা শহর সহনীয় মাত্রার চেয়ে তিনগুণ তীব্রতার শব্দ দূষণে আক্রান্ত। এর ফলে প্রায় অর্ধ কোটি মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।”তিনি বলেন, “উচ্চ শব্দ কম সময়ের জন্য হলেও তা শ্রবণ শক্তির জন্য ক্ষতিকর। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ১.১ বিলিয়ন মানুষ (১২-৩৫ বছর বয়সী) অত্যধিক শব্দযুক্ত বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকার কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। মানসম্মত জীবন যাপনের লক্ষ্যে শব্দদূষণের বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যকেও সচেতন করতে সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানাই।”পরিবেশ অধিদপ্তরের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত মহাপরিচালক মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102