রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আত্ম মর্যাদাশীল মানুষ হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াতে হবে মহিমান্বিত ও অলৌকিক রাত শবে মেরাজ শ্রীমঙ্গলে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে ভারতীয় পন্য সহ আটক ১ দবিরুল ইসলাম ওবিই এর মৃত্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের শোক প্রকাশ মৌলভীবাজারে ধামতিপুরী (রঃ) এর ইসালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্ব নন্দিত আলেম শামসুল উলামা আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ রহঃ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মাছ পাচারকালে ইলিশ সহ দুই ট্রাক আটক জালালাবাদ রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্লাস্টিক সার্জারী সেবা প্রদান শুরু

নিজেকে বড়ই অপরাধী মনে হয়

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৪০ এই পর্যন্ত দেখেছেন

গিয়াস আহমদ: একটি বিষয় দেখে নিজেকে বড়ই অপরাধী মনে হয় কারণ আমিও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও বঙ্গ নেত্রী, মমতাময়ী মা, জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনাকে নিজের জীবনের চাইতেও প্রাধান্য দেই যদিও আমি কোনো পোস্টেড নেতা নই।

তবে দালাল বা সমসাময়িক কিছু নেতাদের মতো স্বার্থপর নই তাদের এহেন কর্মকাণ্ড দেখে কোনো প্রতিবাদ করতে পারিনা, দুঃখ এই জায়গায় আমাদের প্রাণের জেলা মৌলভীবাজারের শ্রদ্ধা ভাজন নেতৃবৃন্দের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই (প্রশ্ন করার অধিকার আমার আছে) রাস্তা থেকে ধরে এনে তার পারিবারিক ইতিহাস না দেখে কাউকে, কয়েকদিন কয়েকজন নেতার পেছনে সময় দিলে তাদের মনোরঞ্জন করলে, তাদের পেছনে জিন্দাবাদ মারলেই কি তাকে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের মতো এশিয়া মহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের নেতা বানিয়ে দেয়া যায়?

যারা একটু পাখনা গজালেই সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের স্বার্থের জন্য জননেত্রীর সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে অথচ এদের কৃতকর্মের জন্য তাদেরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অনেকাংশেই শাস্তি পেতে হয় না।

এমনই একটি বিষয় দেখার পর নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলামনা। আগামীতে শুরু হতে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি হাওয়া বইছে অন্যান্য এলাকার মতো মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে মধ্যে ১১ নং মোস্তফাপুর উপজেলা সদরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন কারণ অনেক অগণিত গুণীজনের জন্ম এই ইউনিয়নে।

আসছে ২৬ ডিসেম্বর ইউনিয়ন নির্বাচন, এখানে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বর্তমান জননন্দিত চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তাজ(সতন্ত্র এই কারণে উনি দলীয় কোনো পোস্টে নেই), সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন তোফায়েল আহমেদ তোয়েল (সতন্ত্র কারণ বিএনপি নির্বাচনে নেই), আলোচনায় ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রুমেল আহমেদ (যিনি গত নির্বাচনে নৌকা নিয়ে হেরেছিলেন) এবারও খুব তোরজোর করছিলেন নৌকা পাবার জন্য কিন্তু মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা হ্রাস এবং ইউনিয়নের ভিতরে উনার সমর্থকদের কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দলীয় হাইকমান্ড তার উপর ভরসা রাখতে না পেরে দলীয় প্রতীক নৌকার জন্য মনোনীত করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দলের দুঃসময়ে মাঠপর্যায়ে দলের পরিক্ষীত সৈনিক খসরু আহমেদ, লন্ডন প্রবাসী এম এ রহিম, ইউনিয়নবাসী যখন নিশ্চিত এই চারজনের মধ্যেই নির্বাচন হবে কারণ শেখ রুমেল আহমেদ নির্বাচনে থাকবেন না কারণ তিনি প্রতীক পাননি তাই উনি দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে নির্বাচন করবেন না আওয়ামী সমর্থক সহ সকলেই মনে করেছিলেন শেখ রুমেল একজন পদবী ধারী নেতা।

তিনি যেহেতু গত নির্বাচনে নৌকাকে ডুবিয়েছেন এবার হয়তো দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সব ভেদাভেদ ভুলে নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য এক হয়ে কাজ করবেন তাহলে হয়তোবা কিছু একটা হতে পারে, কারণ আমরা এতোদিন উনার মুখে শুনে এসেছি নীতিবাক্য উনি নাকি দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ উনি নাকি ত্যাগী নেতা!!

কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইউনিয়নের কিছু মানুষ সাথে নিয়ে আর অধিকাংশ বহিরাগত মানুষ ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে শ’দুই এক ছাত্রলীগ কর্মীর একটি বহর নিয়ে শোডাউন দিয়ে নমিনেশন জমা দিয়ে আসলেন।

এখন প্রশ্ন হলো এতো বড়ো একটি পোস্টে থেকে সামাদ কিভাবে তার সঙ্গীদেরকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে গেলেন আর শেখ রুমেল আহমেদেরতো কোনো চাহিদা অপূর্ণ নেই তাহলে বয়োজ্যেষ্ঠ একজন মানুষ সারাজীবন যে দলের জন্য এতো ত্যাগ করে আজ তার প্রাপ্য দলীয় প্রতীক পেলেন উনার দিকে তাকিয়েও কি শেখ রুমেল তার চেয়ারম্যান হওয়ার লোভ ত্যাগ করতে পারলেন না?

এখন দেখার বিষয় জেলার নেতৃবৃন্দ দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ অনুযায়ী নৌকার বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কি অবস্থান গ্রহণ করেন। কারণ এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে দলীয় সিদ্ধান্তকে কেউ মাণ্য করবেনা, আর এভাবেই মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে দলীয় সিদ্ধান্ত।।

আশা করি এমনটি হওয়ার আগেই জেলা নেতৃবৃন্দ দলীয় পোস্টে থাকা বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নিবেন। এখন দেখার বিষয় কে কোন নীতি অবলম্বন করেন রাজনীতি নাকি স্বজনপ্রীতি!!

লেখক: গিয়াস আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক, লন্ডন ক্যামডেন আওয়ামী লীগ।

(এই লেখাটির সকল দায়ভার লেখকের ইউকেবিডি টিভি.কমের কোন সম্পৃক্ততা নেই)

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102