

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে নিখোঁজের ৩দিন পর মিশুক চালক আবিদুর রহমান (১৬) এর লাশ নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের শরিষপুর কনর মিয়ার বাড়ির পশ্চিম দিকের মরা কুশিয়ারা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহত আবিদুর নবীগঞ্জ পৌরসভার কানাইপুর গ্রামের মুহিবুর রহমান (ওরফে) পাতার মিয়ার পুত্র বলে জানা গেছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শরিষপুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে উপস্থিত ছিলেন-নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল এর এএসপি আবুল খায়ের, নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমদ, পিবিআই ইন্সপেক্টর শরিফ আহমদ, থানার এসআই আবু সাঈদ, সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
নিহত আবিদুর রহমানের পিতা মুহিবুর রহমান ওরফে পাতা মিয়া জানান, গত মঙ্গলবার থেকে তার ছেলে আবিদুর নিখোঁজ ছিলেন। গতকাল শুক্রবার সকালে লোক মারফত জানতে পারেন তার ছেলের লাশ গুজাখাইড় শরিষপুর মরা কুশিয়ার নদীর খালে ভাসমান। তিনি তার ছেলের হত্যাকারীদের সনাক্ত করে তাদের ফাঁসি দাবী করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী ওই খালে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ শহর থেকে মিশুক চালক আবিদুর রহমান (১৬) মিশুক গাড়িসহ সে নিঁখোজ হয়। তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, সে উপজেলার গুজাখাইর গ্রাম থেকে নবীগঞ্জে ফিরে যাত্রী নিয়ে পৌর এলাকার পূর্বতিমির পুরের দিকে রওয়ানা দেওয়ার পর আর বাড়ি ফিরেনি। এব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ থানায় একটি জিডি গায়ের করা হয়েছে। নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ ডালিম আহমদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল এএসপি আবুল খায়ের জানান-আবিদুরের চালিত মিশুক গাড়ী নিয়ে যেতে চাইলে হয়তো সে বাঁধা দেয়। ধারনা করা যায় লোক চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।তদন্তপুর্বক ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটন করতে পুলিশ কাজ করছে।