

ঘূর্ণিঝড় পরর্বতী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুহিববুর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ৯ হাজার আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে দূর্যোগ প্রবণ এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে, তবে শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ছুটির বাইরে থাকবে। সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
রবিবার (২৬ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জান ও মালের নিরাপত্তায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে আমরা চেষ্টা করছি যাতে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়। বর্তমান সরকার পূর্বের মতো এবারো দূর্যোগ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকলে কাজ করছে।
মুহিবুর রহমান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবিলায় যাবতীয় কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমাল এর নিম্ন অংশ আগামীকাল ভোর নাগাদ দেশের উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে অতিক্রম করবে। জোয়ারের মধ্যে নিম্নভাগ অতিক্রম করার কারণে বাতাসের গতি বেগ বাড়বে। তিনি আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলসহ সারাদেশে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।