বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একাত্তরের গণহত্যাকে আমেরিকার কংগ্রেসে স্বীকৃতির প্রস্তাব ও পাকদোসরদের বর্বরতা অধ্যাপক সাইয়্যিদ মুজিবের সাথে লেখক আহমেদ সিরাজের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত সাবেক মন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে নিয়ে অপপ্রচারের নিন্দা যে কোনো মব শক্ত হাতে দমন করা হবে বই বিক্রির অর্থ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ও ইয়েমেনের শিশুদের জন্য দান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওসির পোষ্টে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আনন্দঘন পরিবেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত নাগরিকত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়া অনুমোদিত নয় আনন্দ উৎসবে কার্ডিফে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত পরলোকে সাপ্তাহিক গোলাপ পত্রিকার সম্পাদক আখতারুজ্জামান

তেতুলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় দুর্ভোগে জনসাধারণ

খাদেমুল ইসলাম
  • খবর আপডেট সময় : রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৯ এই পর্যন্ত দেখেছেন
Exif_JPEG_420
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় দীর্ঘদিন গ্যারেজে বন্দি হয়ে  নষ্ট হচ্ছে সরকারী এ  অ্যাম্বুলেন্স টি । এদিকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থাকার পরও সাধারনের কোন কাজে আসছে না এটি। রোগীর স্বজনরা সরকারী অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে ভাড়তি ভাড়ায় প্রাইভেট এম্বুলেন্সে
রুগী স্থানান্তরে পাশাপাশি তীব্র ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন জনগন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্স চালক আব্দুল মজিদ বাবু জটিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০২২ সালের জুলাইয়ে মারা যান। তার মৃত্যুর পর প্রায় দেড় বছর ধরে অধিকাংশ সময় গ্যারেজে পড়ে আছে সরকারী মুল্যাবান এ অ্যাম্বুলেন্সটি। ফলে জরুরি প্রয়োজন ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তেতুলিয়ায় থেকে
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল ও ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে রোগী স্থানান্তরে অ্যাম্বুলেন্স সমস্যায় পড়তে হয়।
এদিকে হাসাপতালের অ্যাম্বুলেন্সটি বন্ধ থাকায় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে রোগী বহনে দিগুন ভাড়া দিতে হয়। এছাড়া লক্কর-ঝক্কর ধরনের মাইক্রোবাসে তৈরি করা ব্যক্তিগত এসব অ্যাম্বুলেন্সে রোগী বহন করতে গিয়ে প্রায়ই পথিমধ্যে গাড়ি নষ্টসহ রোগী মারা যায়, এমন দুর্ভোগের চিত্র এখন তেতুলিয়ায়।
সরকারী অ্যাম্বুলেন্সটি গ্যারেজে বন্দি থাকার ফলে ইঞ্জিন বিকলসহ যন্ত্রাংশ মরিচা ধরার উপক্রম হয়ে এটি নষ্ট হয়ে পড়েছে। সেসময়ে গাড়ি চালক থাকা অবস্থায় দৈনিক নব্বইয়ের অধিক রোগী স্থানান্তর হয়েছিল। গত জুলাইতে চালকের মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য জিপচালক দিয়ে রোগী আনা-নেওয়া হতো।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে, চালক আব্দুল মজিদ কর্মরত অবস্থায় ২০২২ সালে ১ হাজার ১৪৭ জন রোগী বহন করা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স। এ হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৯৫ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে মজিদের মৃত্যুর পর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জিপ চালক দিয়ে মাঝে মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি চালানো হতো। এতে ২০২৩ সালের মে পর্যন্ত ৫৪ জন রোগী বহন করা হয়েছে। কিন্তু বিধি অনুযায়ী, জিপচালককে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালানোর পরিপত্র না থাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি গ্যারেজ বন্দি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে গ্যারেজে বন্দি থাকায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সটি ইঞ্জিন বিকল হওয়াসহ মূল্যবান যন্ত্রাংশ মরিচা ধরার উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে সেবাপ্রার্থীদের দুভোর্গের পাশাপাশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তেঁতুলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রাজিনুল হক বলেন, ‘হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সচালক নিয়োগের জন্য পঞ্চগড় সিভিল সার্জনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
তেতুলিয়ার  ইউএন ও ফজলে রাব্বি জানান, চালক নিয়োগের ব্যাপারে তিনি দ্রুত ব্যবস্থ গ্রহন করবেন।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান (ডাবলু) বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102