শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টাকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিন

দেওয়ান ফয়সল
  • খবর আপডেট সময় : শনিবার, ১ জুলাই, ২০২৩
  • ২৪৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

আগামী ডিসেম্বর ২০২৩ অথবা জানুয়ারী ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশের সংবিধান অনুযায়ী সরকার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা দেয়া সত্বেও বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে দেশ চালানোর দক্ষতা সম্পন্ন কোনো নেতা তাদের দলের মধ্যে নেই, তারা ভালো করেই জানে। এ ছাড়া গত ১৪ বছর যাবত তারা দেশের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন! এই ১৪ বছরে দলটির কোনো নেতা বা কর্মী দেশের জনগণের ধারে কাছেও যায়নি। রাখেনি তদের সুখ দু:খের খবরা খবর। এমতাবস্থায় এখন যদি নির্বাচনকালীন সময়ে ভোটের জন্য তারা জনগনের কাছে যায়, তাহলে তো নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরে আসতে হবে। সুতরাং কুটবুদ্ধি সম্পন্ন বিএনপির হাই কম্যান্ডের নেতারা তাদের রাজনৈতিক অবস্থা আঁচ করতে পেরেই নির্বাচন করতে সাহস পাচ্ছেন না।তাই তারা নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হয়েছেন এবং নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টায়ও তারা লিপ্ত হয়েছেন।

নির্বাচন বানচাল করতে হলে মুখের কথায় তো হবেনা, যে ভাবেই হোক দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে হবে। একেক বার এক এক দফা নিয়ে তারা বিরাট শোডাউন, মিটিং, মিছিল করে কিছুদিন পরই এগুলো শেষ! কিছুদিন পর আবার অন্য দফা আবিস্কার করে কয়েক দিন মিটিং মিছিল করে কিছু দিন পরই তাও শেষ। এত দফা দাফা দিয়ে, মিছিল মিটিং করে জনগণের কাছ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে শেষ পর্য্যন্ত ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব কিছুদিন আগে এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা আর কি করবো, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তাঁর এই কথা থেকে বুঝা যায়, তারা তাদের লবিষ্ট দেশগুলো খেকে যে ধরণের সহযোগিতা আশা করেছিলেন, তা তারা পান নি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের নিজস্ব শক্তিকেই কাজে লাগাতে হবে। তাই তারা এখন বড় বড় সমাবেশ করার দিকে বেশি করে নজর দিচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য, এদেরকেই নিয়ে নির্বাচনের আগে দেশে বড় ধরণের কোন নাশকতামূলক কান্ড ঘটানো! অনেকেরই মতে, বিএনপি পরোক্ষ ভাবে ঢাকা ১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে দাঁড় করিয়ে তাদের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। নির্বাচনের দিন বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হামলার শিকার হন হিরো আলম। এরপর হিরো আলমের হামলার ঘটনায পুলিশ দু’জনকে আটক করে। এ নিয়ে শুরু হয় র্বিট তুলকালাম কান্ড। এই সুযোগকে কাজে লাগায়ে বিএনপি নেতারা তাদের বিদেশী প্রভুদের কাছে নালিশ করে বলেছেন দেশে নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। বেশ, তারাও এর বিরুদ্ধে বিবৃতি দেয়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে হিরো আলমই তাদের অপপ্রচারের শেষ ভরসাস্থল। যদিও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আক্রমনকারী দু’জনকে আটকও করেছে এবং আর কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও ধরপাকড়ের চেষ্টায় আছে। এ ধরণের কোন অবাঞ্ছিত ঘটনার ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সজাগ। কিন্তু তার পরও বিএনপি নেতারা তাকে নিয়ে গলদঘর্ম হয়ে পড়েছেন। কিন্তু কি লাভ হলো ? এ ঘটনা নিয়ে বিএনপি যে ইস্যু তৈরী করতে চেয়েছিলো সে ম্বপ্নও ভেঙ্গে গেলো!

হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনার পর আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলাকারীদের সনাক্ত করার লক্ষ্যে অভিযান চালিয়ে ২ জনকে গ্রেফতার করার পরও ঐ হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতির পর রাজধানী ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সহ ১১টি দেশের এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২৬ জুলাই বুধবার রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

এ সময় তিনি বলেন, শিষ্টাচার ভঙ্গ করে হিরো আলম প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়েছিলেন ১৩ কুটনীতিক। এ ব্যাপারে সরকারের অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা ১৭ আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থী হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনায় বিবৃতি দেয়া ১৩ দেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশন প্রধানদের ডাকা হয়েছিলো। তাদের আমরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা না বলতে আহ্বান জানিয়েছি। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সচেতন থাকতেও তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রদূত ও মিশন প্রধানদের দেয়া বিবৃতি ভিয়েনা কনভেনশনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যে কোন ইস্যুতে তারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জানাতে হবে। তবে রাষ্ট্রদূত ও মিশন প্রধানরা বলছেন,  নির্বাচনে সহযোগিতামূলক আচরণের ভিত্তিতেই তারা বিবৃতি দিয়েছিলেন। এতে অন্য কোন উদ্দেশ্য নেই।

এ দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাদের অন্য এক অভিযোগের জবাবে বলেছেন, বিএনপির কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচীতে সরকার বাধা দিচ্ছেনা। বিনা অপরাধে কাউকে আটক করা হচ্ছে না। যারাই অপরাধ করছেন, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এখন কথা হচ্ছে, বিএনপি বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য যে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে তার থেকে কি ফায়দা তারা পাচ্ছে? এর আগেও আমি আমার কলামে লিখেছি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সমর্থন করেনি বরং পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিলো, এই শক্তিগুলোকেই কাজে লাগিয়ে এবারও বিএনপি জোর করে ক্ষমতা দখলের দু:স্বপ্ন দেখছে! তারা জানে না, ওরা হচ্ছে ”বসন্তের কোকিল”।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন যে অবস্থায় পৌচেঁছে তা দেখে এই স্বাধীনতা বিরোধী বিদেশী শক্তিগুলোই এখন বাংলাদেশের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলার জন্য বাংলাদেশে আসা যাওয়া করতে করতে তাদের জুতোর তলা পাতলা করে ফেলছে। তাছাড়া, গত কয়েক মাস ধরে আমেরিকা ইউরোপ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের উন্নয়নে আগ্রহান্বিত হয়ে, বাংলাদেশকে কি ভাবে সহায্য এবং সহযোগিতা করলে বাংলাদেশ তাদের আকাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছতে পারবে তা নিয়েই সরকারের সাথে আলাপ আলোচনা করেছেন।
গত ১৬ জুলাই বিডিনিউজ এ প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক সময়ে বিশেষ দূত ওয়ালিউর রহমানের এক সাক্ষৎকার পড়লাম। এই সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরছি।

”সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেছেন, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারী আজরা জেয়ার নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধি দল ’খুশি মনেই’ ঢাকা ছেড়েছেন। ”তারা বলেছে যে, ’বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, আমরা তার সঙ্গে কাজ করবো। শেখ হাসিনা এমন একজন নেতা, যিনি দক্ষিন এশিয়া অঞ্চলে কেন্দ্রীয় ভুমিকা নিয়েছেন’। সব ক্ষেত্রে তারা সম্মান দেখিয়েছে। কেবল সম্মান দেখায়নি, বাংলাদেশ যা করেছেন তার প্রশংসা করেছে.” বলেন ওয়ালিউর রহমান।

রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট্কমের আলোচনা অনুষ্ঠান ”ইনসাইড আউট’ এ যোগ দিয়ে পশ্চিমা কুটনীতির বিশ্লেষনের পাশাপাশি ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কুটনৈতিক ভারসাম্য এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।
’ইনসাইড আউট’ এর এবারের বিষয় ছিলো কুটনৈতিক আচরণ এবং বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমাদের নানা তৎপরতা। তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপের পর বিএনপি ও তার জোটের শরিকরা ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের ডাক দিলে ২০১৩ সালে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ যেভাবে দূতিয়ালি ও সব দলের অংশ গ্রহণে নির্বাচনের কথা বলেছিলো, এবারও দেখা যাচ্ছে নানা মুখী তৎপরতা।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা শক্তির তেমন কোনো প্রভাব দেখেন না জানিয়ে সাবেক এই কুটনীতিক বলেন, অভ্যন্তরীন বিষয়ে কুটনীতিকদের বক্তব্য ভিয়েনা কনভেনশনের বিরোধী।”

ভিয়েনা কনভেনশন’ কি? অনেকের মনেই এই প্রশ্ন, আসুন তাহলে একটু জেনে নেই।
অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সম্পন্ন হওয়া যেকোন চুক্তিই ভিয়েনা কনভেনশন হিসেবে পরিচিত হতে পারে।
তবে কুটনীতিকদের আচরন বিষয়ে যে চুক্তিটি ১৯৬১ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে বিভিন্ন দেশের অংশ গ্রহণে সই করা হয়েছিল সেটি ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোমেটিক রিলেশন হিসেবে পরিচিত। এই কনভেনশনে মোট ৫৩টি আর্টিকেল বা ধারা রয়েছে। এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল কিছু নিয়ম- নীতি এবং সেগুলো অনুসরণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৮ সালে এই চুক্তিতে সই করে।

ভিয়েনা কনভেশনের চুক্তিতে বলা হয়েছে যে, কুটনীতিক সম্পর্ক হবে দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক ঐক্যমতো ভিত্তিতে। ভিয়েনা কনভেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা বা আটিকেল ৯-এ বলা হয়েছে যে, যেকোন দেশ ওই দেশে নিযুক্ত অন্য দেশের কুটনীতিককে কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই ’পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করতে পারে। ওই কুটনীতিক সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছানোর আগেই তাকে অগ্রণযেপাগ্য ঘোষণা করা যায়। এ ধরণের বেশ কয়েকটি আর্টিকেল নিয়েই ভিয়েনা কনভেনশন চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে আলোচিত ধারাটি এখানে তুলে ধরছি। বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি তৎপরতা এবং একই সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে নানা ধরণের মন্তব্য করে আলোচনায় আসছেন বিদেশী কুটনীতিকরাও।
তবে শুধু গত নির্বাচনই নয় বরং বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক সংকট এলেই তৎপর হতে দেখা যায় বিদেশী কুটনীতিকদের। কুটনীতিকদের নানা মন্তব্যকে সরকারী দল বিভিন্ন সময়ে পাত্তা না দিলেও বিরোধী দলগুলো বরাবরই তাদের মন্তব্যকে সমর্থন করে থাকে।
এমন অবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে ভিয়েনা কনভেনশনের যে ধারার কথা বলা হয় সেটি হচ্ছে চুক্তির ৪১ নম্বর ধারা। এর এক নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে যে, যেসব ব্যক্তি অন্য কোন দেশে কুটনীতিকের মর্য্যাদা ও সুবিধা ভোগ করেন তারা ওই দেশের আইন ও নীতি মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। এছাড়া তারা ওই দেশের অভ্যন্তরীণ কোন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।
এই ধারায় আরো দুটি উপধারা রয়েছে, যেমন ধারার দুই নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে যে, কুটনীতিকদের সব ধরণের দাপ্তরিক কাজ যা প্রেরক দেশ কুটনীতিক মিশনের উপর ন্যস্ত করবে তা গ্রাহক দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা এ সম্পর্কিত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হতে হবে।
তিন নম্বর উপধারায় বলা হয়েছে যে,কুটনীতিকরা তাদের মিশন অফিসের প্রাঙ্গন মিশনের কার্য্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবেন না। (তথ্য সংগ্রহ: বিবিসি ডটকম, (বাংলা) ।

ভিয়েনা কনভেনশনে পাশ হওয়া এই ধারাগুলো প্রত্যেক রাষ্ট্রদূতকে এবং মিশন প্রধানদের জানতে হয় এবং তারা যে দেশেই যান না কেন তা মেনে চলতে হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, এ এসব রাষ্ট্রদূতরা যখন অন্য কোন দেশে যান বিশেষ করে অনুন্নত বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে তখন তারা বিশেষ প্রভাব খাটাতে শুরু করে। দেখে মনে হয় যেন, তারাই সে দেশের সরকার! অন্য দেশে গিয়ে তারা যখন ভিয়েনা কনভেনশনের নিয়মাবলী ভঙ্গ করে কথা বলেন, তখন তাদের উপরে কেউ কোন কথা বলেন।  সোজা কথায় বলা যায়, জোর যার মুল্লুক তার, তারা এই পন্থাই অবলম্বন করে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের প্রতি আমার অনুরোধ, স্বাধীনতা বিরোধী যে সকল রাজাকার, আলবদর গোষ্ঠী তাদের দেশী- বিদেশী চক্রকে নিয়ে নির্বাচন বানচাল করার পায়তারা করছে, জনগণের ভোটের অধিকার নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন।

লেখকঃ দেওয়ান ফয়সল, কলামিষ্ট, সিনিয়র সাংবাদিক ও সদস্য লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102