

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ রানীশংকৈলে বুধবার (১২ অক্টোবর) উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ এর সভাপতিত্বে ব্যানার বিহীন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, নেকমরদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল মাষ্টার। যুদ্ধ কালিন কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম, সাবেক কমান্ডার বিদেশি বম্মন
সহ প্রায় ২০জন মুক্তিযোদ্ধা।
জানা গেছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্প -২ বাস্তবায়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভূক্তি করন এবং বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ব্যানার ছারাই দায়সারা ভাবে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্যানার বিহীন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে মিটিংয়ের আয়োজন করা ঠিক হয়নি। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এ ব্যানার থাকা দরকার ছিলো ও গুরুত্বপূর্ণ অনেকেই নেই যেমন উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, পৌর মেয়র।
সাবেক কমান্ডার সিরজুল ইসলাম বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। শুধু দায়সারা ভাবে
মিটিং করা হয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল মাষ্টার বলেন, চিঠি দিয়ে ডেকে আমাদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। নির্বাহী অফিসার বলেন, বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসির কাছে আপনারা অভিযোগ করেন কেন।
রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সভাপতি ফারুক আহাম্মদ সরকারের কাছে এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি অনুষ্ঠানের দাওয়াত পাইনি। মুক্তিযুদ্ধাদের এমন একটি প্রোগ্রাম ব্যানার ছাডা করায় মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা করা হয়েছে, বিষয়টি খুব দুঃখজনক । নির্বাহী অফিসার মুক্তিযোদ্ধাদের থ্রেট করেছেন বলে শুনেছি।