

খাদেমুল ইসলাম, তেতুলিয়াঃ পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার শালবাগান পশুর হাটটি তিরনই – শালবাহান ইউনিয়নের মধ্যে অবস্থিত। হাটে যাওয়ার পথে কৈমারী এলাকার আলমগীর চেয়ারম্যান এর রাইচ মিলস থেকে কালীতলা পর্যন্ত রাস্তাটিতে যত্রতত্র গর্ত হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি হলে এ রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের। দীর্ঘদিনেও এটি মেরামত করা হয়নি।
এলাকাবাসী জানান, তেতুলিয়া উপজেলার বেশির ভাগ রাস্তা পাকা হলেও এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি শালবাহান কৈমারী সড়ক এ।
বর্ষাকালে এ কাঁচা রাস্তায় চলাচল করা খুবই কষ্টের।
উপজেলার সর্ববৃহ বানিজ্যিক প্রান কেন্দ্র শালবাহান হাটে এই সড়ক দিয়ে ৭ টি ইউনিয়নসহ জেলার সব গবাদী পশু এবং হাজার হাজার লোকের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ার জন্য সড়কটি ব্যবহার করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সোলেমান আলী ও রবিউল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তায় কাদাপানি জমে থাকে। তখন রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলতে পারে না। পায়ে হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে।
জানা যায়, শালবাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শালবাহান দাখিল মাদ্রাসা, শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়,কাড়িগড়ি কলেজ,মনিগছ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি।
এ বিষয়ে শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুবক্কর সিদ্দিক কাবুল ও শালবাহান বালিকা বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও তেতুলিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহরাব আলী জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বিষয়টি অবহিত করার পরেও তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। ২/৩ বছর ধরে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য, রাস্তায় গর্ত থাকায় দুর্ঘনা লেগেই থাকে। জনপ্রতিনিধিরা রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসলেও কেউ কথা রাখেননি। প্রয়োজনের তাগিদে দুর্ভোগ সঙ্গী করেই যাতায়াত করতে হচ্ছে মানুষদের। অল্প বৃষ্টিতে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তখন সব ধরনের যান চলাচল একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। তখন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিশু-বৃদ্ধ ও নারীরা বেশি সমস্যায় পড়েন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ও
আশরাফুল ইসলাম বলেন, শালবাহান গ্রামের বাসিন্দারা পাকা সড়কের অভাবে দুর্ভোগে আছেন। সড়কটি পাকা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শালবাহান হাটের ইজারাদার মো; দারাজ আলী জানান, সরকার প্রতিবছর এ হাট থেকে কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে আসলেও রাস্তাটি কেনো মেরামত করছে না।
এ ব্যাপারে তেতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, চলতি বছরই সড়কটি পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।