

মোঃ শাহজাহান মিয়া:যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিয়েছে। সেখানে মাত্র ১২ একর জায়গার জন্য কেন এত অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।১. পবিত্র কাবা শরীফ নির্মাণের পূর্বে এটিই ছিলো মুসলমানদের কিবলা। ২. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম (আ.) এবং মূসা (আ.) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।৩. এখানেই আল্লাহর মহানবী রাসুল (সা.) সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ওই জামাতে মতান্তরে প্রায় ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন।৪. এখান থেকেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন। ৫. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম এবং সুলাইমান আলাইহিসসালাম এর নাম।৬. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রা.)এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা। ৭. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি। ৮. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন। ৯. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব। ১০. এই মসজিদে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করলে আমল নামায় ২৫ হাজার রাকাআত নামাজের সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.)এই মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত সালাত আদায়ের সওয়াব কোন ব্যক্তির নিজ গৃহে ৫০ হাজার ওয়াক্ত সালাত আদায়ের সমতুল্য বলে হাদিসে উল্লেখ করেছেন(সুনান ইবনে মাজা, হাদিস -১৪১৩)১১. পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন। (সংগৃহীত)।