শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন চা বাগান সমুহে সংঘঠিত নির্মম ও বিভিষিকাময় ঘটনাবলীর কিয়দাংশ

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২২
  • ২৮৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামঃবাংলাদেশে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার যুদ্ধ চলছে । চারিদিকে হানাদার বাহিনীর তান্ডব লন্ড ভণ্ড করে দিচ্ছে ।দিনে রাতে যখনতখন গুলির শব্দ গুড় গুড় গুড়ম আকাশে বাতাসে বারুদের গন্ধ ।মানুষ এর আর্তনাদ, পোড়া মাটির গন্ধ ,সামনেই স্যুট বুট পরামারনাস্র কাধে আজরাইল দণ্ডায়মান ,কাপছে মানুষ, কাপছে গ্রাম , বাজার শহর বন্দর, সব খানেই হাহাকার আর হায় হায় রব ।

প্রকৃতি গত কারনে চা বাগান গুলো পাহাড়ি এলাকা এবং বিশেষত ভারত ও তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান বর্ডারে অবস্থিত বিধায় যুদ্ধে বিধ্বস্থ, ভীত সন্রস্থ শরনার্থীদের দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেবার উপযুক্ত ওনিরাপদ পথ ও মাধ্যম ছিল এই সকল চা বাগান। চারিদিকে হানাদারবাহিনীর টহল,গর্জন, ধর্ষণ , আর দল বেধে গই গ্রামে, অজপাড়ায় , রাজাকার ও শান্তি কমিটির লোকদের সহায়তায় ঢুকে স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশীদের বাড়ী ঘরে লাগাচ্ছে আগুন , যুবক স্বামীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে , যুবতী বধু পাকিস্তানী হায়েনাদের ক্যাস্পে হাজিরে হলে স্বামীরা মুক্তি পেতে পারে বলে হানাদার বাহিনী ও সহযোগিরা বাকোয়াছ করছে, শাসিয়ে যাচ্ছে।মুছুয়াদের জিজ্ঞাসা ‘’ বিন্দু কেদারহ্যায় , তুম মুক্তি হ্যায় ‘’ হাতে পায়ে কোমরে দড়ি বেধে টেনে হিছড়েনিচ্ছে সড়কের পুলের উপরে শুরু হল বেয়নেটের চার্জ , হঠাৎ গুড়ুমগুড়ুম আওয়াজ নির্যাতিতদের আর্ত চিৎকার আর একটু পরেই শুনসান নিরবতা , পুলের নিচে , নদী নালার পাশে পড়ে থাকা লাশ বর্ষায় ফুলে উঠা নদীর পানিতে ভেসে যাচ্ছে সারি সারি লাশ ।

হায়রে মানুষ হায়রে বাঙ্গালী, সমাজে যারা ছিল সমাজ পতি ,ধনী , মানী , গুণী ,জ্ঞানী ,শান্তি প্রিয় , আজ তাদের লাশ ভেসে যাচ্ছে নদীর স্রোতে, অজানা ঠিকানায়। ভাগাড়ে কুকুর খাচ্ছে ,শকুন টানছে।মুক্তিযোদ্ধারা পার্শ্ববতী দেশ ভারতে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরকমান্ডারদের তত্বাবধানে তাৎকালিন দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেয়া পুলিশ,ইপিআর ( বর্তমানে বি,জি,বি ) আর্মি,নেভী,এয়ারফোর্স ও ভারতীয় সেনা বাহিনীর অফিসারদের কমান্ডে ট্রেনিং নিচ্ছে আর মাঝে মধ্যেই গেরিলা আক্রমনে হানাদার বাহিনীকে পরাস্থ , ন্যাস্থ নাবুদ ও খতম করছে।এদিকে চা বাগান গুলোতে শ্রমিকদের তলব নেই রেশন নেই,খাদ্য নেই,বস্ত্র নেই , ওষুধ নেই পু্ল ব্রীজকালভাট ভাঙ্গা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন,জীবনের নিরাপওা নেই ।তাদের বাগান দিয়েই হাজারো  শরনার্থী ভারতে যাচ্ছে তারা দেখছে আর দেশ ছাড়ার দিন গুনছে ।

চা শ্রমিকদের আকুল জিজ্ঞাসা ‘’ আমরা কদিন থাকতে পারবো ? আমরা ৯৫% হিন্দু চা শ্রমিক। আমাদের এহেন ঘন বসতি পূর্ণ চাবাগানে হায়েনারা ঢুকলে আমাদেরে শিয়াল কুকুরের মত মারবে গুলিতো খরছ করবে না।হাত পা বেধে বেয়নেট দিয়ে খুছিয়েখুছিয়ে মারবে, আর সুন্দরী চা শ্রমিক মহিলা বউ কন্যাদের মিলিটারিক্যাম্পে ধরে নিয়ে বেইজজতি করবে ‘’বাগান মালিক কোম্পানি গুলো শ্রমিক কর্মচারীদেরে সাহস দিচ্ছে ,বলছে ‘’ আমরা চোখ কান খোলা রাখছি ‘’ ঊপায়ান্তর না দেখলে বাধ্য হয়েই তোমাদেরে নিয়ে আমরা ও ভারতে শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নেব।

‘’মুক্তি যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে সংবাদ আসছে ‘’তোমরা বাগানছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় ভারতেরশরনার্থী শিবিরে চলে যাও হানাদারবাহিনী ঐ 

সকল চা বাগানের আশে পাশে ক্যাম্প খুলেছে এমন কি চাবাগানের বাংলো , বাসা  বাড়ীতে ও ক্যাম্প খোলা জারি করেছে ।তোমরা আক্রান্ত হতে পার।গুলি,মেশিনগান ,বোমা ছুড়বে, বাগানে আগুন লাগাবে, তোমাদেরে মেরে বেইজ্জতি সহ নিঃশেষ করে দিবে।

‘’ ইতিমেধ্যই জানাজানি হল , হানাদার বাহিনী বাগানের আশে পাশে,স্কুলে ,বাজারে ,ভারতে শরণার্থী হয়ে চলে যাওয়া হিন্দু বাড়ীতে ,ইপি আর ক্যাম্পে আস্তানা গেড়েছে।বাগান গুলোতে আক্রমনের পরিকল্পনা করছে ,শুরু করেছে লুট পাট , অত্যাচার ধর পাকড় , পরনের কাপড় খুলে পরীক্ষা করছে মানুষ গুলো হিন্দু নামুসলমান। হটাৎ গুলি , বাড়ীতে আগুন ,টেনে হিছড়ে নিয়ে যাচ্ছে মানুষ , ক্যাম্পের গাছের ডালে ঝুলন্ত মানব সন্তান ,পা দুটুউপরে মস্তক নিচে ,নাক মূখ দিয়ে রক্ত ঝরছে অবিরত ,পরবতী্তে নিথর দেহ ।স্বাধীনতা কামী বাঙ্গালীর এ কী নির্মম ও বিভিষীকাময়মৃত্যু ; চা শ্রমিক গন স্বভাবতই অশিক্ষিত, অল্প শিক্ষিত, সামান্য সংখ্যক শিক্ষিত ও অধিক শিক্ষা থাকা সত্বে ও তারা সরল, সহজ , বাগান মুখি ,দেশ প্রেমিক এবং উন্নয়নে বিশ্বাসী চা বাগান মালিকের কোম্পানী দ্বারা তৈরী করে দেয়া বাসগৃহেই তাদের জন্ম জীবনও মৃত্যু।তারা চা বাগান ছেড়ে কোনদিন কোথাও যায়নি দেশ এখনযুদ্ধরত।আধুনিক যুদ্ধাস্রে সজ্জিত হানাদার বাহিনীর সাথে খালিহাতে বীর বাঙালী যুদ্ধ করছে ভারত সাহায্য কারী । চা শ্রমীকদের জিজ্ঞাসা তারা কোথায়া যাবে ? কোথায় থাকবে ? কে দিবে আশ্রায় ওশান্তনা ? কি হবে তাদের পরিচয় ও পরিনতি ?

মধ্যরাত চা বাগান ম্যানেজার বাবু (স্টাফ) শ্রমিকবৃন্দ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তখন হঠাৎ শুনা গেল গুলির শব্দ ; ফ্যাক্টরী, অফিস হাসপাতাল,গোদামঘর ম্যানেজারের বাংলো স্টাফ কোয়াটার ওলেবার লাইনে বৃষ্টির মত গুলি মটার শেল ও মেশিন গানের গর্জন ; পাকা দেয়াল , মাটির ঘর ,টিনের উপর গুলি ঝরছে ,ঝর – ঝর শব্দে। 

গুলি চললো ঘন্টা খানেক তার পর বন্ধ, শুনা গেল মানুষের আর্তনাদ, কুকুরের চিৎকার গরু –ছাগলের হাক ডাক, বারুদেরগন্ধ। সবাই ভাবছিল সে ছাড়া  আর বুঝি কেউ বেঁচে নেই । শান্তির চাবাগান নিমেষেই শুনসান। প্রান বাচাঁতে যে যে দিকে পারলো পালাতে লাগলো। অনেকই তাদের বৃ্দ্ধ ,রুগ্ন , অচল পিতা মাতাকে ফেলে গেছে।অনেক মা তাদের কোলের শিশুকে অজান্তেই ফেলে রেখে বেহুসের বেশে ভারতের দিকে দৌড়াচ্ছে। হাতে পয়সা নেই , পাতেখাদ্য নেই , ঔষধ নেই ,বর্ষা ও শীতের বস্র নেই ,বাস্তু হারা ,ভিটাহারা ,সর্বস্থ হারা,স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি চা শ্রমিকরা  এ ভাবেই শূন্যহাতে আশ্রয় নিল ভারতের শরনার্থী ক্যাম্পে। তার পর চলে গেল অনেক দিন ,অনেক মাস ।

১৬ই ডিসেম্বর, বাঙ্গালীর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় দিবস।এর পর পরই দেশের অন্যান্য শরনার্থীদের মতো দেশে ফিরতে শুরু করলো বাংলাদেশের চা শ্রমিকরা। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে নিজ চাবাগানে জন্মস্থানে নিজ নিজ ভিটায় । কিন্তু ফিরে এসে খুজতে খুজতে পেল ফেলে যাওয়া পিতা মাতা ও শিশুদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাড্ডি,মাথার খুলি যাদেরে হানাদার বাহিনী লাথি মেরে ,বেয়নেটচার্জ করে, গুলি মেরে হত্যা করে ছিল। শ্রমিকরা ফিরেছে  কিন্তু ঘরনাই ,বসার জায়গা নাই।সারাটা বাগান জঙ্গঁলে ভর্তি। শিয়াল,শকুন ,বাঘ ঢাসাদের বসবাস , ধ্বংসাবশেষ , হাহাকার এর সাথে যুক্তহল শ্রমিকদের সকাল – সন্ধ্যা –রাত বিরাতের কান্না । 

ভোখা পেট বাধা মানেনা। তাই খাদ্য যোগাড়ে তারা পাহাড়ে ,জঙ্গলে,বনভুমিতে বেরিয়ে পড়লো ,সংগ্রহ করতে লাগলো বন্যকচু ,মুখি কচু, নানান জাতের শাক ,পালংশাক ,ডেকিশাক্‌, ফলদ বনজ গাছেরপাতা , বাঁশের কড়ুল ,চা পাতার চাটনি, শিকার করলো বন্য প্রানী,এভাবেই বানে ভাসা কচুরি পানার মত শুরু করলো নতুন জীবন ।এদিকে মাথা গোজার ঠাই সৃষ্টির জন্য চা শ্রমিকেরা পাহাড়ী বনভুমি,কোন কোন চা বাগানের নিজস্ব বাঁশবাড়ী ও ছনখলা হতে বাঁশ ,ছন,লম্বা ঘাস, গাছের পাতা, কলা পাতা, খেজুর ও তালপাতা বাঁশেরপাতা উইছন ,নল খাগড়া , সংগ্রহ করে বিনা মজুরিতে তৈরী করলোমাথা গোজার ঠাই এভাবেই তৈরী হল হাজার হাজার ঘর বাড়ী ।  

চা বাগানে তিন স্তরের জন মানুষের বসবাস সাহেব, বাবু ও শ্রমিক অনেকটা রাজা-মন্ত্রী ও প্রজাদের মত ।এটা ব্রিটিশদের তৈরী সিস্টেম ।এ প্রথা আছে বলেই চা বাগান গুলো শান্তিতে, নিরাপওায় আজো আছে ।অনেক চা বাগানে ম্যানেজার ব্রিটিশ কিংবা পশ্চিম পাকিস্তানী ছিলেন। যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে যারা সুবিধা করতে পেরেছেন ,তারা নিজ নিজ দেশে চলে গেছেন।আর কেহবা হানাদারবাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছেন। বাবু ( ষ্টাফ) দের অনেকই শহীদ হয়েছেন , কেউ কেউ রুগ্ন হয়ে মারা গেছেন। শ্রমিকদের মধ্যে যারা ভারতে যেতে পারেননি ,তাদের অনেকই শহীদ হয়েছেন। আর যারা শরণার্থী  হয়ে ভারতে গিয়েছিলেন তাদের অনেকই রুগ্ন হয়ে বা বৃদ্ধহয়ে সেখানেই মারা গেছেন । 

যুবক শ্রমিকদের অনেকই মুক্তি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন । তারা মুক্তি যোদ্ধা হিসেবে বীর দর্পে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরেছেন । মুক্তি যুদ্ধে চা শ্রমিকদের অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। চা শিল্পের শ্রমিক মালিকদের এই কঠিন সময়ে স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী সরকার শ্র্রমিক –মালিকদের কল্যানে বহুমাএিক সাহায্য, সহায়তা ও সমর্থন  দান করেছেন, এখন ও করছেন।

১৯৫৭ সন চা বাগান তথা চা শিল্পের জন্য চির স্মরনীয় সন । এই সনেই হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতীর পিতা বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইতিহাসের প্রথম বাঙ্গালি হিসাবে পাকিস্থান টি বোর্ড (অধুনা বাংলাদেশ টি বোর্ড) এর সম্মানীত চেয়ারম্যান পদে অধিষ্টিত হয়েছিলেন। সেই সুবাদে তিনি চা শ্রমিকদের নাড়ী-নক্ষএ জানতেন এবং তাদের সুখ দুঃখ জীবন ব্যবস্থা ,দিন যাপন,যাবতীয় পরিবর্তন ও উন্নয়নের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড ,ভোট এর অধিকার ও নাগরিকত্বের অধিকার প্রতিষ্টা করেছিলেন। চা শ্রমিকরা ও বঙ্গবন্ধু ও তার দলকে সম্মান দিয়েছে। চা শ্রমিককে বলা হয় ‘’ স্বাধীনতা ও মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের শক্তির ভোট ব্যাংক ‘’ ।

চা শ্রমিক, শ্রমিক পঞ্চায়েত তাদের সমাজ পতি সহ সকল নেতা ওনেতৃবৃন্দের সাহসী পদক্ষেপে চা বাগানে শুরু হল শহীদ স্মৃতি স্তম্ভতৈরি করণ ।হানাদার বাহিনীর হাতে যারা শহীদ হয়েছিল তাদে দেহাবশেষ, মাথার খুলি সংগ্রহ ও জমায়েত করে কবরস্থ করা হলো বিশেষ বিশেষ ভাবে চিহ্নিত হত্যাকান্ডের স্তানগুলোতে তৈরী হল শহীদদের সমাধি স্থম্ভ।মুক্তিযোদ্ধের পক্ষের সরকার এ মহতি কাজে সকল ধরনের সহায়তা দিয়েছেন। কোন কোন চা বাগান মালিক / কোম্পানী স্তম্ভ গুলো তৈরী করেছে তাদের নিজ উদৌগে ,দেশের প্রতি শহীদদের প্রতি তাদের এই সম্মান অতুলনীয় ও প্রসংশনীয় ।

স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বহারা  শ্রমিক সন্তানরা আজ অনেক বড় হয়েছে, তারা শিক্ষিত হয়েছে, দেশের বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারি উচ্চ পদে চাকুরী করেছ ও চা বাগান ,গ্রাম, ইউনিয়ন,উপজেলা ,জেলা সহ দায়িত্ব  পূর্ণ পদে জনসেবা দিয়ে দেশকে জাতিকে  সহায়তা দিচ্ছে ।তারা দেশের গৌরব ।

বর্তমান জন বান্ধব , স্বাধীনতা ও মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার চাশ্রমিকের সার্বিক উন্নয়নে আগে ও ভুমিকা রেখেছেন ,আগামীতেও রাখবেন ।

শেষকথা ;-চা শ্রমিকের নিজস্ব দাগ খতিয়ান ভুক্ত ভুমি বাড়ী –ঘর নেই ।চা বাগান মালিক ও কোম্পানীর দেয়া বাড়ীতেই তাদের জন্ম মৃত্যু ও জীবন।এ সমস্যা সমাধানে সরকারী ব্যবস্থাপনা সময়ের দাবী মাত্র ।চা শ্রমিকরা বলে ‘‘’জিতে রহো বাংলাদেশ । যুগ যুগজিয়ো ‘’(অর্থাৎঃ বাংলাদেশ চিরজীবি হোক)

hdrpl

লেখকঃ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কলামিষ্ট,  বিভিন্ন চা বাগানের সাবেক ম্যানেজার / এ, জি,এম / ডি,জি,এম / জি, এম,/উপদেষ্টা ও চা বিশেষজ্ঞ

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102