শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে ভারতীয় পন্য সহ আটক ১ দবিরুল ইসলাম ওবিই এর মৃত্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের শোক প্রকাশ মৌলভীবাজারে ধামতিপুরী (রঃ) এর ইসালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্ব নন্দিত আলেম শামসুল উলামা আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ রহঃ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মাছ পাচারকালে ইলিশ সহ দুই ট্রাক আটক জালালাবাদ রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্লাস্টিক সার্জারী সেবা প্রদান শুরু সিলেটে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই সংবর্ধিত না ফেরার দেশে বিশিষ্ট সমাজসেবক দবিরুল ইসলাম চৌধুরী বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে সেলিমা রহমান হাবিব ও মাহবুবের সাক্ষাতের রজনী

কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক এর একগুচ্ছ ছোট কবিতার ডালি

কবি বিদ‍্যুৎ ভৌমিক
  • খবর আপডেট সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৮ এই পর্যন্ত দেখেছেন

মন হারানোর পদ্য

জলস্তব্ধে বিচল ঘুমরাজ্যের মিন , স্বপ্নপুরির অগনন ভাসা তারাদের মৃদু মিট মিট ;
অল্প অলস সময় তবু আত্মপদে ধীর হেঁটে আসে দূর থেকে পৃথিবী দখলে ! তখনতো বুকের মধ্যে তুই যেন অন্য এক পাখি , জ্যোৎস্না
পথে ছায়া মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে আমাকে দেখাস গোটা বিশ্বের নানাবিধ নিয়ম ! এভাবেই শুরু হয় মন হারানোর পদ্য ; এভাবেই ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে আমি ও আমার তিন জন্মের সমস্ত স্মৃতি ! এগুলো কি আমারই মতো …….

আঁকা নদীর বিবিধ রঙের স্থির ঢেউ গুলো নিছক কল্পনায় অবাক বিস্ময়ে অভিভূত ; চিন্তার জটিল পাহারায় মৌন নীলাম্বরী প্রেম ও কবিতায় একাকী মন নিয়ে আকাশে ছড়িয়ে দেয় আজীবনের স্মৃতি !

অতলের ভেতরে গুপ্ত ঘুমে আচ্ছন্ন সেই একজন ; অনেকটা আমারই অবয়ব I মুখ যেন দর্পণের ছায়া হয়ে থাকতে চায় হৃদয় শূন্য করে …..
পলাতক রয়েছে দাঁড়িয়ে ; সাহস তার মধ্যরাতের চেহারায় একই আদলে গড়া, শেষটুকু চোখের জল হয়ে দেখা দেয় ভালোবাসার কথা শেষ হতেই !!
_________________________________তিন জন্মের পথে

অন্য দিনলগ্নে চাঁদ দেখা দিলে ; রাত জাগি পাহারাদ্বার হবার ইচ্ছায় ! এই যে জ্যোৎস্নায় নগ্ন হয়ে ভাসে চন্দ্রমল্লিকা ভালোবাসার মানুষ পেতে , তাই বলে আকাশলীনা মূহুর্তের দোষ পেরিয়ে আমাকে স্পর্শ দিতে ছুটে আসো রাতের অন্ধকারে শরীর ছেরে বেরিয়ে ,…..

ঠিকানাটা ভুল যদি হয় ; সুখটুকু লুকিয়ে রাখবো বুক পকেটে তিনজন্ম ধরে !
ভেতর দিয়ে প্রেতেদের বির্মূত চলাচল জটিল স্বাভাবিক ছিল , নিশি ডাকা চুপ শব্দে বেজে ওঠে যন্ত্রণার কথাহীন যন্ত্রটি ; তবু শিরায় শিরায় চ’লে ফিরে বেরায় আত্মঘাতী পুরোনো প্রেম !

সময় সংলাপ শুনে
গোটা রাস্তাটা বন্ধ করে দিয়েছে আমার সাথে কথা বলা ,
সেই থেকে আমিও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ একটা ছায়ার চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে রোজ রোজ এই সময় অপেক্ষায় জেগে থাকি পাহারাদ্বারের ছদ্মবেশে !!
_________________________________রাস্তা ফুরিয়ে গেছে

অন্য ভাবে বলা যেত ; সটান শব্দ ছুঁড়ে নিঃস্পলক স্তদ্ধ গম্ভীরে একক একান্তে চোখ রাখে বেহুস খেয়ালীর ঢঙে ! তবুও তো চেনা যায় দুঃখ – শোক – আজীবনের বিষময় গ্লানি , অথচ কথাহীন নিরবতা পাথর হয়ে জমে আছে বুকে !

শেষ একবার
শেষ বারের মত আমি ভিখারী হয়েছি প্রেম ও ভালোবাসায় ; এর আগে গত কয়েক জনম ঠিক এভাবেই পুড়েছি কত-শত নিভৃত ছলনায় ,
এই রাস্তায় প্রেত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে আশপাশের গাছেদের ছায়া ! ওরা সাক্ষী ছিল দু’একটা জনম ! অবশেষে সেই পথ ধরে চলতে চলতে তাকিয়ে দেখি , রাস্তা ফুরিয়ে গেছে , আমি সেভাবেই একা ; অথচ তুমিহীন শূন্যতা!!
_______________________________

ক্লিব দেহ আঁকে

বাতিঘরে নিশিস্তব্ধ রাত ,

কথার শব্দগুলো মর্জিনার স্নান ঘরে জলচ্ছাসে ক্লিব দেহ আঁকে ; স্বপ্ন ঘোর থেকে বেড়িয়ে আসে সুগন্ধি ধূপের ধোঁয়া , ওখানে সমস্ত রাত কবিতারা কথা বলে !

শেষ প্রহরে পানপাত্র ! গভীরে শূন্য আরণ্যক ; হাতের মুঠোয় চুপ হয়ে থাকা দুঃভাগ্যের রেখারা ভিতর গভীরে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে !

নষ্ট শরীর নিয়ে কেউ একজন দর্পণে দেখেছিল চাঁদের কলঙ্ক ; শেষ একবার উলঙ্গ পরিরা রাতভোর জানালার গরাদ ধরে বলে উঠে ছিল , বাতিঘরে শেষটুকু আলো জ্বালা থাক ! আমরাও আলোর ভিখারী হব ….. !!
________________________________

যদিও অপ্রেমেয় হই

অন্য কোন কারণে
যদি অপ্রেমেয় হই ; তাহলে প্রতি জন্মে ভালোবাসায় পুড়তে রাজি আছি !
এই মুহূর্তে অনলাইনে যাচাই করে কিনেছি বাইশটা ছেঁকা খাওয়া হৃদয় , ক’দিনের তন্ত্র মন্ত্রে দীক্ষিত সেই সঙ্গীহীন প্রেমগুলো দর্পণের সামনে দুঃসাহসে উলঙ্গ হয়ে নেচেছে কাঙালের ছদ্মবেশ নিয়ে ……

তাই বলে আমি প্রিয়ংবদাকে একবারও ফড়িং করে এডালে – ওডালে বসতে বলিনি ! এ আমার অনেক কালের দৃঢ় প্রত্যয় !!
_______________________________

ছায়াপাখি

বেশ কিছু সত্য আঁধার আঁকা পথে বিমুর্তের ছদ্মবেশ নিয়ে কষ্টে – শিষ্টে হেলেদুলে চলে ! ছায়াপাখী অশরীর তবুও সে ইন্দ্রিয়ঘন ; তন্নিষ্ঠ স্বপ্নের কাছে ,—–
যদিও দর্পণে জ্বলে যায় সংরক্ত লোভের সুকুমার দেবদূত ৷
কেউ কেউ জ্যোৎস্নায় ভেজায় সপ্রতিভ অবিশ্বাস ; তবু সত্যের চেহারা নিয়ে অর্ধেক পুরুষ মৃত মনটাকে বেহুঁশ পরিবেশের ভয় দেখায় !

অনেকটা গ্লানি স্মৃতি ধারণ করে আজীবন বাঁচে ; শেষ রাতের মন্ত্র শুনে রাস্তার মৃত গাছে বসা ডানাহীন একলা একক সত্যবান পেঁচা আয়ুভীক্ষা করে যাবতীয় ঈশ্বর দেবতার কাছে !

ঘুম ঢাকা প্রহর ; নতমুখ সুদীর্ঘ সময়ের ভীড়ে কী যেন ভেবেছে এতকাল ! এরই মধ্যে বোবা ইতিহাস পাশের রাস্তায় অচেনা গাম্ভীর্যে মনে মনে বলে ওঠে বিবেক দংশনের গল্প !!
________________________________

স্বপ্নচর্চা

স্বপ্ন দেখার ইচ্ছায় যেন আমায় নিয়ে ঘুরছে ফিরছে ; রাতের বেলার ঘুম ! সেখান দিয়ে উড়ে গেছে কবেকার আমি ও আমার শোবার ঘরের ঝুল ঢাকা নীল বাতিটা ; শেষ একবার দম বন্ধ নীরর ছিল ঠাকুর ঘরের কাঁশোর – ঘন্টা , …. স্বপ্ন তখন দারুণ সব ছল করে যায় ছদ্মবেশে ; বেমালুম সেই সর্তহীন !

যখন তখন আমি ভাসি ভাসার নেশায় মনের ভেলায় ; মাথার মধ্যে বন – বনিয়ে ঘুরছে তখন বৈদ্যুতিক সেই বাতাস যন্ত্র ! কী কারণে ও যেন ঠিক আমার মতোই অবাধ্য অবুঝ , ওই জন্যেই ঘরে – বাহিরে আমায় নিয়ে চর্চা ভীষণ ! তবুও যে স্বপ্ন দেখি ; বুকের মধ্যে হাজার লক্ষ স্বপ্ন নিয়ে চলি ফিরি একলা একক ,…. স্বপ্ন দেখায় অপ্রমেয় নেশায় বুদ আদ্যোপান্ত মাতাল আমি এই ছেলেটা ! যতই তোমরা স্বপ্ন দেখায় নিশেধ করো ; কোন কারণেই দোমছি না !! থামবো না ….
_________________________________

অন্য বাসর

আমার একটা নৈঃশব্দে ঢাকা দুনিয়া ছিল , ওখানে রাত জেগে ছবির চরিত্র গুলো পাহারা দিত ; যাতে মধ্যরাতের ছেকা খাওয়া কোকিল না ডেকে ওঠে !
সেই অপ্রমেয় অনুরাগ থেকে বেরিয়ে আসার সময় ভা-লো-বা-সা দূর রাস্তায় মিলিয়ে গেল ! তবুও স্বপ্নের মধ্যে হাত এগিয়ে দেই চেনা কোন যন্ত্রণার দিকে স্পর্শ দিতে ,……
তবু কেন ঘরে ফেরার সময় হতেই মৃদু কান্নার শব্দে মনে হয় ; কিছু ফেলে যাচ্ছি না তো ?_________________________________

ভাববাচ্যে মৃত প্রেতের কাব্য

এখানে আর্তনাদ হ’লে
নির্ঘূম রাজ্যের আত্মারা উলঙ্গ হয়ে দাঁড়ায় ; শ্মশান চত্তরে !

বেলাশেষে অক্ষরবৃত্তে সহজ স্বপ্নগুলো প্রবাহমান শোক ও তাপে অদৃষ্ট ঝড়ের ধারাভাষ্য মনপেতে শোনে ,……

শেষে একবার
বোধের প্রহর উল্টো পায়ে হেঁটে চ’লে বেড়ায় ! এতকালের নির্বাক চোখগুলো চোখে – চোখে অশ্রুজলে স্তব্ধ ভাষে ওঠে ,…..

এখানে আর্তনাদ হলে মৃত্যুর দ্যুত এসে বলে যায় কথা না রাখার কথার হিসেব ! কেউ একজন মন ছেড়ে বেড়িয়ে পরে অনির্দিষ্ট পথে !!
_________________________________

না’বলা নীরব উচ্চারণ

প্রশ্ন আপনা আপনি ফিরে এলে ; উত্তর না’বলা নীরব উচ্চারণ সারারাত বেমালুম বুক ভাসায় অশ্রু জলে ! তবুও নিভৃত যতনে স্মৃতিশব্দ গুলো প্রতিপলে দর্পণ ঝাপসা করে ।

শেষ পর্যন্ত কেউ একজন ঐ চেনা রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রেখে গেছে আমির মত একজন’কে , কোথাকায় শ্মশান ঘাটে একলা একলা রাত পার করে বিস্মৃতির সময় ! সহজ পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় অবেলার অদেখা অবসর ; শেষ পর্যন্তই মৃত্যুর খবর শুনে পাশ ফিরে শুয়ে থাকে আমার ফসকে যাওয়া ভালোবাসা !! সেও তো কেউ একজন …..
_________________________________

বৃষ্টি ভেজা পদ্য

যেই ছুঁয়েছি হাত ; স্বপ্নে সারারাত ! তখন যেন হঠাৎ করেই শ্রাবণ ঢাকা বৃষ্টি এলো ,
ভিতর থেকে ঘুম ভাঙানো সেই পাখিটা বেরিয়ে এসে বললো ডেকে ; এবার উঠুন ঢের হয়েছে বন্ধ করুন স্বপ্ন ভ্রমণ ! কথায় কথায় হারিয়ে গেছে ভিতর থেকে আমার আমির এইটুকু মন !

তোর ঠোঁটেতে নাম লিখেছি গদ্যে-পদ্যে অনেকটা বার ; এই অতলে তলিয়ে গেছে প্রথম লেখা তোর চিঠিটা , শেষ বিকেলের টাপুস রোদে ওষ্ঠে জ্বলে তৃষ্ণা আমার , অ্যাকুল ব্যাকুল মগ্ন হৃদয় ! একমাত্র তোরই জন্য !!
_________________________________

এবং অন্যান্য

ভ্রাম্য প্রবাহে দহন দানে স্বপ্ন ভ্রষ্ট ! হাত বাড়িয়ে ট্রোপোস্ফিয়ারে শব্দ ছুঁই বিরত বাক্যে ,

অন্য রকম অস্ফুট কথা থেকে শুরু হয় বিতন্ডার জটিল প্রহর ; কারও কারও চিতা জ্বলে ওঠে মনের শ্মশানে I
মাঝ রাতে ফুল ফোটে স্বপ্ন দেখে দেখে ; চেনা মুখ গুলো লুকিয়ে যায় স্বার্থপর সত্যে ।

কেউ কেউ মনে করে মৃত্যু নাকি অন্য এবং অন্যান্য জীবন রচনা করে ; গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ সিক্ত আত্মার ঘুমন্ত ঘুম , তবু কেন অচেনা নিঃশ্বাসে অপ্রমেয় ভিন্ন ভিন্ন তারাদের চোখ আগামী রাতের অন্ধকারে প্রিয়জনের আর একটা আত্মার কামনা করে !!
_________________________________

হাওয়ার ভেসে উঠলাম

জেগে থাকার মগ্নতায় বদলে নিলাম আকাশ ! অন্দরে তখন বোধিসত্ত্ব বয়সহীন একা এভাবেই ,—– যদি কথায় মন নিয়ে এগিয়ে এলে গভীরে চেনা রাস্তায় চলাচল করে বর্ণমালা !

সেই একই ভাবে শব্দ দেখবো অনন্ত দ্রাঘিমার ভেতর ; মৃত স্মৃতি মন পোড়ায় শয়ন শিয়রে , তবুও চোখের মধ্যে চাঁদ – তারা – অন্য নক্ষত্রেরা দু’দিনের ঘৃণায় ছায়াহীন দুঃস্বপ্নের ডাকে মৃত্যুর প্রতিনিধি !

শেষ একবার ইচ্ছে করেই উলঙ্গ হলাম ! এই নগ্নতা ঈশ্বরীয় ; সকাল – সন্ধ্যার মত অস্থায়ী ভাবে বিবর্ণ দৈবাৎ ,—-

যদি প্রতিদিনের অসুখগুলো পরমুখাপেক্ষী না হতো ; তাহলে বৃষ্টিবিন্দুগুলো সাক্ষী থাকতো অকৃপণ সময়ের কাছে !

শেষ বারের মত হাওয়ায় ভেসে উঠলাম ,—- তাই শরীরহীন প্রার্থনা নিয়ে আদেখা ঈশ্বরকে বলি আগামীজন্মে আমাকে ঘুড়িজন্ম দিও হে প্রেমময় !!

কবি পরিচিতি : বাংলা কাব্য সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক I জন্ম ১৮ ই এপ্রিল , ১৯৬৪ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুর , হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত পরিবারে । কবির বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ ইতিমধ্যে প্রকাশিত  হয়েছে তারমধ্য উল্ল্যেখযোগ্য ১) কথা না রাখার কথা ২) নীল কলম ও একান্নটা চুমু ৩ ) গাছবৃষ্টি চোখের পাতা ভিজিয়ে ছিল ৪) নির্বাচিত কবিতা ৫ ) শুধু প্রিয়ংবদার জন্য …. ইত্যাদি । ২০২২ “সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সাহিত্য সম্মান” লাভ করেন । আকাশবাণী বেতার এবং দূরদর্শন সহ বিভিন্ন বেসরকারী চ্যানেলে নিয়মিত ভাবে প্রচারিত হয় তাঁর কণ্ঠে স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি I

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102