

কোটা সংস্কার আন্দোলনে ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গ্রেপ্তার এড়াতে আপাতত দলীয় ব্যানারে কর্মসূচি পালন করবে না দলটি। তবে দল সমর্থক বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী সংগঠন এবং যুগপৎ আন্দোলনে যুক্ত শরিক দলগুলোর কর্মসূচিতে দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।
বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চূয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর এটিই দলটির প্রথম বৈঠক। এতে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলে বিএনপি আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটির নেতারা সংক্ষিপ্তভাবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়টি মূল্যায়ন করেন। গ্রেপ্তার এবং আত্নগোপনে থাকায় কমিটির সব সদস্য উপন্থিত ছিলেন না।
সূত্র জানায়, আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদের একে অপরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন আছেন। এখন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মাঠে নামানোই বড় চ্যালেঞ্জ। দলের নীতিনির্ধারকেরা নেতাকর্মীদের মাঠে নামানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, আপতাত কৌশলে মাঠে থাকবে বিএনপি। কারফিউ তো একটা সময় গিয়ে প্রত্যাহার করতে হবে। পুলিশের ধরপাকড়ও বন্ধ হবে। তখন বিএনপি দলীয় ব্যানারে কর্মসূচিতে নামবে। আপাতত ভিন্ন ব্যানারে মাঠে থাকবে। এ ছাড়া শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। তারাও কর্মসূচি ঘোষণা করবে। তাদের কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।
অপর এক সদস্যের ভাষ্য, আলোচনা চলছে কিভাবে দলকে এই আন্দোলন এ মাঠ পর্যায়ে সম্পৃক্ত করা যায়।
বৈঠকে জামায়াত নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টিও আলোচনা উঠে। নিষিদ্ধের পর বিএনপির কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত, সে বিষয়ে কমিটির সদস্যরা পরামর্শ দেন।
নিউজ /এমএসএম