আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা, প্রার্থনা করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। দোয়ার মাধ্যমে যেমন আল্লাহর আনুগত্য ও রহমত লাভ করা যায়, আল্লাহর আজাব থেকে বাঁচা যায়, শয়তানের ধোঁকা ও দুনিয়াবি বিপদ-আপদ
রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের ইমানি দায়িত্ব। যেহেতু এটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ, তাই এটা দেশের আপামর জনগণের হক। এ সম্পদ দেশের মানুষের কাছে আমানত। কোনোভাবেই তা নষ্ট ও অপচয় করার
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শান্তি, নিরাপত্তা ও সুস্থতাকে ঈমানের পর আল্লাহর বড় নেয়ামত বলেছেন এবং তার সাহাবিদের আল্লাহর কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। ওসাত ইবনে ইসমাঈল
দান-সদকা করা, আল্লাহর পথে খরচ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। কোরআনে আল্লাহ তার সন্তুষ্টির জন্য সদকাকারীদের, তার পথে খরচকারীদের তার সন্তুষ্টি, সওয়াব ও জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, اَلَّذِیۡنَ یُنۡفِقُوۡنَ
মানুষমাত্রই মাঝে মাঝে ভুল করে ফেলে। গুনাহে জড়িয়ে যায়। এটা মানুষের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য। ভুল করার পর মানুষ যদি অনুতপ্ত হয়, ভুল পথ থেকে ফিরে আসে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে
প্রচণ্ড গরম হচ্ছে জাহান্নামের নিশ্বাস। তাই জাহান্নামের ভয়ে বেশি করে এবং লম্বা লম্বা সূরা দিয়ে নফল নামাজ আদায় করা উত্তম। হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন গরম বেশি পড়বে,
ইসলামে যেসব ইবাদতের জন্য পবিত্রতা ও অজু করা আবশ্যক। কোরআন স্পর্শ করা তার অন্যতম। কেউ পবিত্র কোরাআন স্পর্শ করে তিলাওয়াত করতে চাইলে তার জন্য পবিত্রতা ও অজু জরুরি। পবিত্র কোরআনে
কোনো বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে অনুমান নির্ভর কথা বলা ইসলামে নাজায়েজ ও গুনাহের কাজ। বিশেষত তথ্যটি যদি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে হয় এবং ওই তথ্য বিশ্বাস করার কারণে বড় ধরনের
মিশরের অধিবাসী কিবতিদের রাজাকে ফেরাউন বলা হতো। আল্লাহ তার নবি হজরত মুসাকে (আ.) নবুয়্যত দিয়ে তার সমকালীন ফেরাউনকে তাওহিদ বা একত্ববাদের দাওয়াত দিতে পাঠিয়েছিলেন যে অত্যন্ত দাম্ভিক ও অহংকারী ছিল
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমরের (রা.) দশ বছরের শাসনামলে ইসলাম অর্ধ পৃথিবী পর্যন্ত বিস্তৃত হয় এবং বিশ্বের বৃহৎ দুই পরাশক্তি রোম ও পারস্য ইসলামের পতাকাতলে আগমন করে। মদীনায় তখন সম্পদ