

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগরের কুরুয়া বাজারে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থলের পার্শবর্তী মাহসড়কে দ্বায়িত্বরত হাইওয়ে পুলিশের একটি দল সিলেট গামী কাভার্ড ভ্যানটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চালক দ্রুত গতিতে পালাতে গিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের সুয়ার গাঁ গ্রামের সুরাব আলীর পুত্র এমাদ আলী (২৫)।
এসময় উত্তেজিত জনতা হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের ধাওয়া করে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখলে উভয় দিক থেকে আসা যানবাহন ঘন্টা ব্যাপি আটকা পরায় যাত্রী ও পথচারীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয়। খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে অনান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে অবরুদ্ধ থাকা পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার ও স্থানীদের সাথে আলোচনাপূর্বক মহাসড়কে যান চলাচল স্বভাবিক করে।
জানা যায়,সিলেট ঢাকা মহাসড়কের উপজেলার কুরুয়া বাজার এলাকায় তামাবিল হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল মহাসড়কে দ্বায়িত্ব পালন করা কালীন সময়ে সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে সিলেটগামী একটি দ্রুত গতির কাভার্ড ভ্যান থামানোর জন্য চেষ্টা করে। এসময় কাভার্ড ভ্যান চালক হাইওয়ে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত গতিতে সামনে এগিয়ে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল চালক ঘটনাস্থলে নিহত হন।
তামাবিল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কবির বলেন, দূর্ঘটনার পর স্থানীয়রা মহাসড়কে দ্বায়িত্বরত পুলিশদের অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করলে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এই বিষয়ে এসল্ট মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে। পরবর্তীতে আরো পুলিশ পাঠিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) রফিকুল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হওয়ার পর স্থানীয় ভিক্ষব্ধ জনতা দ্বায়িত্বরত হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া করে এবং মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান আটক করে থানায় নিয়ে আসার পাশাপাশি মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।