

যুক্তরাজ্য অফিস:যুক্তরাজ্যে ভারতীয় করোনা ভাইরাসের ডাবল মিউট্যান্ট ভ্যারিয়ান্টের ধরন আতংক সৃষ্টি করেছে। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে চার জন ভারতের ধরনের করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। অবস্থা এমন জরুরী যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আজ বিকাল ৫টায় জরুরী সংবাদ সম্মেলন করবেন ।যুক্তরাজ্যে এরই মধ্যে ১ হাজার ৩১৩ জন ভারতীয় ধরনের করোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে। যা তার আগের সপ্তাহের তুলনায় দ্বিগুন হয়েছে । আগের সপ্তাহে ছিলো ৫২০ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাজ্যে ভারতের ধরনের করোনা রোগী দ্বিগুন হয়ে গিয়েছে। যা অত্যান্ত আতঙ্কের। আর এ কারনে সরকার যে আগামী ২১ জুন লকডাউন পুরোপুরি খোলার পরিকল্পনা করছে তা থেকে হয়তো সরে আসতে হতে পারে। সর্বশেষ তথ্যমতে, যুক্তরাজ্যের ১৫ টি এলাকায় এরই মধ্যে ভারতীয় ধরনের করোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে বেশির ভাগ হচ্ছে লন্ডনের এবং উত্তর পশ্চিম লন্ডন। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্হ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক জানান, যুক্তরাজ্যের যেসব এলাকায় ভারতের ধরনের করোনা পাওয়া গিয়েছে সেই সব এলাকা মনিটর করা হচ্ছে। তাই পরবর্তী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করলে তা অত্যন্ত সতর্কতার সাথেই নেওয়া হবে। ভ্যাকসিন মন্ত্রী নাদিম যাওয়াই জানিয়েছেন, সব কিছু চিন্তা করে আগামী ২১ জুনের লকডাউন থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করা হতে পারে। নাদিম যাওয়াই জানান, আগের সপ্তাহের তুলনায় যুক্তরাজ্যে ১২ দশমিক ৪ শতাংশ আক্রান্ত বেড়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি কমেছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। যুক্তরাজ্যে সব থেকে বেশি ভারতের ধরনের করোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে ম্যানচেষ্টারে। আর এ কারনে ম্যানচেষ্টারের বল্টনে অতিরিক্ত করোনার টিকা পাঠানো হয়েছে। একই সাথে ইংল্যান্ডের ১৫ টি এলাকায় ৮ লাখ পিসিআর টেস্টের জন্য কীট পাঠানো হয়েছে। যাতে করে দ্রুত করোনা পরিক্ষা করিয়ে আক্রান্ত মানুষদের চিহ্নিত করা যায়। এদিকে সরকার এলাকা ভিত্তিক লকডাউন পরিকল্পনা করছে ভারতের ধরন বাড়ার কারনে।