

বঞ্চিত সারাজীবন বঞ্চিত,
তার কোন চাওয়া পাওয়া থাকতে নেই,
চাওয়া নেই অনন্তের কাফনটুকুও ।
রাষ্ট্র সমাজ পরিবার সবজায়গায় সে ভুখা থাকতে হয়।
নির্লিপ্ত জীবনে কড়ায় গন্ডায় তাকে শোধিতে হয় বেঁচে থাকার ঋণ।
তাকে খুঁজে পাবেনা, খুঁজে নিবেনা কেউ ।
সে থাকে হারানোর তালিকায়।
নতুন করে তার নামে কোন ফর্দ লিখা হয়না।
দিনের আলো তাকে জ্বালিয়ে মারে,
রাতের চাঁদ তাকে দেখে ভেংচি কাটে।
কখনো কখনো ঘাড় মটকিয়ে ধরে বেঁচে থাকার সাধ মিটিয়ে দেয়।।
এই কেমন জীবন –
স্বর্গের দীপমালা জ্বালাতে গিয়ে অনলে পুড়ে মরে !
এই কেমন বাসনা –
শুভ্রতার কপোত উড়াতে গিয়ে শকুনের সারথী হয়ে গলা টিপে ধরে!
এই কেমন ভরসা –
আলেয়াকে দুরে ঠেলতে গিয়ে কৃষ্ণ বিবরে পড়ে বাঁচানোর জন্য হাত উঁচিয়ে দেয় !!
সুনিধি এখন সচতুর হয়ে ললাটের তিলকে রক্ত মাখে।
জলসাঘরের বাঈজী সাজতে গিয়ে জীবন এখন তার অমানিশার কুন্ডলী ।
স্বকীয় সত্বার বুকে চাবুক মেরে আনন্দে মেতেছিলো যে মহাজন, সে আজ জীবন হতে তিরোহিত ।
জীবন ঝংকারে তার রিনিঝিনি সুর নেই।
নেই সামিয়ানা টাঙিয়ে রৌদ্র পোহাবার এতটুকুন প্রত্যাশা ।
তবুও এটাই জীবন ।।