

ওয়াদুদ শাহিন: সুনয়না আবার এসো, ভালোবাসা নয়,
তোমার চাহনি হতে কষ্ট লুপে নিয়ে হৃদয় সাজাবো।।
জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে যখন বেখেয়ালি কষ্ট খেলা করে, অনাবাসি আত্মা যখন দোয়েল পাখির মত লাপ দিয়ে সীমানা পার হয়,
তখন কষ্টেরা শুকনো পাতায় লিখে দেয় – কেন ভালোবাসো, কেন নিদয়াকে ভালোবাসতে চাও, তোমার কলিজা চিরে চিরে খাবো।
অনেক আলো চেয়েছি জীবনে। চেয়েছি নিশীথের আঁধারে সামনে হাত বাড়ীয়ে একটু আলিঙ্গন করতে।
কিম্তু কষ্টের বলিরেখা আমাকে টিপ্পনী কেটে বলেছিলো, আঁধারকে কাফন পরিয়ে সৃষ্টির ওপারে নাও, আমি চরমতার ফুল ফোটাবো।।
ধমনী হতে এক ফোটা রক্ত ঝরেছিলো সেদিন।
তুমি উপহাস করে বলেছিলে, মশা কয়টা মেরেছো!!
বলেছিলাম, আমার কোন স্বতন্ত্র সত্বা নেই।
আছে তোমাকে সাথী করে সকালের রাঙা সকাল দেখার এক পুর্ণ বাসনা।
গাছের দেওয়াল ভেদ করে যখন লম্বাটে আলো তোমার কপালে চিকচিক করবে, তখন আমি তোমাকে চমুতে রাঙাবো।
কিম্তু তুমি জল ছিটিয়ে বলেছো, সাগরের এখনো অনেক জল আছে । জলসিঁড়ি গেঁথে গেঁথে উচ্ছ্বল তরঙের রাশি রাশি লহমায় আমি তোমার নাম বিলীন করে দিবো। আমার ভেতরটা গুমরে মরলেও সেদিন কাঁদিনী। যে কান্নার রং লাল হয় সে কান্না কাউকে সংবরন করতে না শিখাক, অন্তত নামান্কন শিখাবে !