

নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজারের পাশের ধান ক্ষেত থেকে একটি মেছো বাঘ আটক করা হয়েছে।ধান ক্ষেতের মালিক সাইফুল ইসলাম ও আসিকুর মিয়া সহ জনতা বাঘটি আটক করতে সক্ষম হয়।
সোমবার (২মে) রসুলগঞ্জ বাজারে পাশে মুরাদ পুর গ্রামে সাইফুল ইসলামের ধান ক্ষেতে মেশিন দিয়ে ধান কাটতে গেলে মেছো বাঘের বাচ্চা দেখতে পায়। স্থানীয় লোকজন বাচ্চাটি কে আটক করে রসুলগঞ্জ বাজারে পাঁচ ভাই ফার্নিচার দোকানের মালিক একটি শিকল দিয়ে বন্দি করে তার দোকানে রেখে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাহাড়ি অঞ্চল থেকে বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণী ইদানিং জনারণ্য দেখতে পাওয়া যায়। লোকালয়ে চলে আসে ওই মেছো বাঘ। বাঘ দেখে গ্রামের উৎসাহিত যুবকরা এটিকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে মেচো বাঘটিকে তারা জীবিত আটক করতে সক্ষম হয়। বাঘটিকে একনজর দেখতে প্রচন্ড রোদ উপেক্ষা করে এলাকার লোকজন ভিড় জমায়।
হবিগঞ্জ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেলকে জানালে তিনি বন কর্মকর্তাকে খবর দেন। খবর পেয়ে বন কর্মকর্তারা গটনাস্থলে ছুটে এসে বাঘের বাচ্চাটি কে উদ্ধার করে নিয়ে যান।
বন কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী জানান , সাধারণত গ্রামা অঞ্চলের মানুষ জন মেছো বিড়ালের বাচ্চা কে মেছো বাঘ বলে থাকেন আসলে এই বন্যপ্রাণীর বাচ্চাগুলো ধানি জমিতে বেশির ভাগ পেয়ে থাকেন কৃষকেরা তাদের বসবাস ধানক্ষেতে। তাদের প্রধান খাদ্য ইদুর এবং মাছ, ধান ক্ষেতে ইদুর খেয়ে কৃষকের ফসল ভাল রাখে এই ইদুর কৃষক ও ফসলের শত্রু। মেছো বিড়াল গুলো পরিবেশ নষ্ট করে না, ফসল রক্ষায় যেখানে বিড়ালটি ধরা হয়েছিল সেখানেই অবমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
হবিগঞ্জ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, এটা মেছো বিড়াল এটা বাঘ নয়। গ্রামের মানুষ বাঘ মনে করে আতংকের সৃষ্টি করে ছিলো। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি মেছো বিড়ালের বাচ্ছা, এটা পরিবেশ সম্বত পরিবেশের জন্য ঝুকি নয় তাই মেছো বিড়ালটি অবমুক্ত করে বলা হয়েছে না মারার জন্য।