

বিপিএলের নতুন আসর। প্রথম ম্যাচ। সতেজ উইকেট। কিন্তু ২২ গজে সেই পুরোনো চিত্র। এজন্য অবশ্য উইকেটকে খুব বেশি দোষারোপ করাও যাবে না। ব্যাটসম্যানরাই যে তালগোল পাকানো ব্যাটিং করলেন।
সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিরুদ্ধে বিপিএলের প্রথম ম্যাচে এক’শ রানও করতে পারলো না চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৯ উইকেটে ৮৯ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। গুমোট আকাশের ফাঁক দিয়ে দুপুর গড়াতেই দেখা মেলে ঝলমলে সূর্যে্যর। সেই তেজোদ্বীপ্ত সূর্যে্যর মতোই উদ্দীপ্ত ছিল সিলেট স্ট্রাইকার্সের বোলিং। মাশরাফি একাদশ সাজিয়েছিলেন একেবারে কন্ডিশন বুঝে।
তিনিসহ একাদশে চার পেসার। দুই বিদেশি মোহাম্মদ আমির ও থিসারা পেরেরার সঙ্গে স্থানীয় রেজাউর রহমান রাজা। চতুষ্টয়ের আক্রমণে স্রেফ পুড়ল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা ছিল দুপুর আড়াইটায়। কিন্তু দুই ঘণ্টা আগে হঠাৎ সময়ের পরিবর্তন। ম্যাচ শুরু দুপুর দুইটায়। আধা ঘণ্টা এগিয়ে আসা ম্যাচের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে চট্টগ্রাম। পাওয়ার প্লে’তে ২১ রানে নেই ২ উইকেট।
মাশরাফির প্রথম দুই ওভার ছিল একেবারে নিয়ন্ত্রিত। প্রথম ওভারে ১ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে দেন ১০ রান। সঙ্গে আমির, থিসারার আক্রমণের জবাব ছিল না চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ক্রমেই লড়াই থেকে ছিটকে যেতে থাকে তারা।
বল হাতে সিলেটের সেরা ছিলেন রাজা। ৪ ওভারে ১৪ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। নিজের বোলিং স্পেলে কোনো বাউন্ডারি হজম করেননি এ পেসার। ডট বল ছিল ১২টি। প্রায় আট মাস পর মাঠে ফিরে মাশরাফির বোলিংও ছিল আঁটসাঁট। ১৮ রানে পেয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়ের উইকেট। তার বোলিং স্পেলে ছিল ১৩টি ডট বল। এছাড়া আমিরের বোলিংয়ের কোনো উত্তর ছিল না ব্যাটসম্যানদের। ৪ ওভারে ১ মেডেনে কেবল ৭ রান দিয়েছেন। তার ২৪ বলের ২০টি ছিল ডট। চট্টগ্রামের বোলিংয়ের ভরসা ছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ২৩ বলে ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন আল-আমিন জুনিয়র।
নিউজ /এমএসএম