সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কারি শিল্প রক্ষায় পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন শাহজালাল মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত গৎবাঁধা পদ্ধতিতে প্রকল্প চালানো যাবে না- ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি ফের শালবাহান ইউপির দায়িত্বে আশরাফুল ইসলাম সালন্দর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত জনগণের সমর্থনে আওয়ামী লীগ শীঘ্রই শক্তিশালী হয়ে ফিরবে—-শেখ হাসিনা শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু নিলামে বিক্রি রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেরাজুল হোসেন এর দাফন সম্পন্ন

বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে এক’শ রানও হলো না

স্পোর্টস ডেস্ক
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ২০৮ এই পর্যন্ত দেখেছেন

বিপিএলের নতুন আসর। প্রথম ম্যাচ। সতেজ উইকেট। কিন্তু ২২ গজে সেই পুরোনো চিত্র। এজন্য অবশ্য উইকেটকে খুব বেশি দোষারোপ করাও যাবে না। ব্যাটসম্যানরাই যে তালগোল পাকানো ব্যাটিং করলেন।

সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিরুদ্ধে বিপিএলের প্রথম ম্যাচে এক’শ রানও করতে পারলো না চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৯ উইকেটে ৮৯ রানের বেশি করতে পারেনি তারা।  গুমোট আকাশের ফাঁক দিয়ে দুপুর গড়াতেই দেখা মেলে ঝলমলে সূর্যে্যর। সেই তেজোদ্বীপ্ত সূর্যে্যর মতোই উদ্দীপ্ত ছিল সিলেট স্ট্রাইকার্সের বোলিং। মাশরাফি একাদশ সাজিয়েছিলেন একেবারে কন্ডিশন বুঝে।

তিনিসহ একাদশে চার পেসার। দুই বিদেশি মোহাম্মদ আমির ও থিসারা পেরেরার সঙ্গে স্থানীয় রেজাউর রহমান রাজা। চতুষ্টয়ের আক্রমণে স্রেফ পুড়ল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা ছিল দুপুর আড়াইটায়। কিন্তু দুই ঘণ্টা আগে হঠাৎ সময়ের পরিবর্তন। ম্যাচ শুরু দুপুর দুইটায়। আধা ঘণ্টা এগিয়ে আসা ম্যাচের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে চট্টগ্রাম। পাওয়ার প্লে’তে ২১ রানে নেই ২ উইকেট।

মাশরাফির প্রথম দুই ওভার ছিল একেবারে নিয়ন্ত্রিত। প্রথম ওভারে ১ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে দেন ১০ রান। সঙ্গে আমির, থিসারার আক্রমণের জবাব ছিল না চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ক্রমেই লড়াই থেকে ছিটকে যেতে থাকে তারা।

বল হাতে সিলেটের সেরা ছিলেন রাজা। ৪ ওভারে ১৪ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। নিজের বোলিং স্পেলে কোনো বাউন্ডারি হজম করেননি এ পেসার। ডট বল ছিল ১২টি। প্রায় আট মাস পর মাঠে ফিরে মাশরাফির বোলিংও ছিল আঁটসাঁট। ১৮ রানে পেয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়ের উইকেট। তার বোলিং স্পেলে ছিল ১৩টি ডট বল। এছাড়া আমিরের বোলিংয়ের কোনো উত্তর ছিল না ব্যাটসম্যানদের। ৪ ওভারে ১ মেডেনে কেবল ৭ রান দিয়েছেন। তার ২৪ বলের ২০টি ছিল ডট। চট্টগ্রামের বোলিংয়ের ভরসা ছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ২৩ বলে ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন আল-আমিন জুনিয়র।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102