বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু-চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত তেতুলিয়া ইউএনও এর বিরুদ্ধে ১৫ শতাংশ ঘুষ আদায়ের অভিযোগ কালুরঘাট সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়‌নে স্মারকলিপি প্রদান সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য রিয়েলমির বিশেষ আয়োজন ‘ঈদের হাসি’ ল্যান্সনায়েক শহীদ গৌছ আলী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের উদৌগে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জমি দখলের চেষ্টায় অভিযোগ স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাবে সংসদ কলুষিত বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন দেশ পেতাম না —ড.একে আব্দুল মোমেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত লায়ন্স ক্লাব চিটাগাং কর্ণফুলী এলিট এর উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত

গ্রিস সীমান্তে ঠাণ্ডায় ১২ শরণার্থীর মৃত্যু

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ২১৯ এই পর্যন্ত দেখেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গ্রিসের সীমান্তঘেঁষা তুরস্কের এডির্না প্রদেশের ইপসালা গ্রামে ১২ শরণার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোয়লু এ তথ্য জানিয়েছেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে পড়েছিলেন ১২ জন।  কারও গায়ে পাতলা জামা, পায়ে নেই জুতা। শীতে জমে সেখানেই ১১ জনের মৃত্যু হয়। একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও প্রাণে বাঁচানো যায়নি। তারা সবাই শরণার্থী। 

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গ্রিসের সীমান্তরক্ষীরা শরণার্থীদের আশ্রয় না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছেন। ২২ জনের একটি শরণার্থী দলের সঙ্গে ছিলেন তারা। গ্রিসের সীমান্ত পেরিয়ে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করছিল দলটি। তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, প্রবল ঠাণ্ডায় জামা, জুতা কেড়ে নিয়ে তাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাস্থলের একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। গ্রিসের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও (ইইউ) একহাত নিয়েছেন। 

পোস্টে সোয়লু লিখেছেন— গ্রিসের সীমান্তঘেঁষা ইপসালা গ্রামে ২২ জনের শরণার্থী দলের ১২ জনের লাশ মিলেছে। ওদের জামা, জুতা কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছিল গ্রিসের সীমান্তরক্ষীরা। ইইউ সত্যিই দুর্বল, মানবকিতাহীন। ওদের কাছে কোনো সুরাহা নেই।

শরণার্থীদের ঠাঁই না দিলেও তুরস্কের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ‘ফেটো’ অপরাধীদের গ্রিস আশ্রয় দিয়েছে বলে অভিযোগ তুরস্কের। ২০১৬ সালে তুরস্কে ব্যর্থ হয়ে যাওয়া সামরিক অভ্যুত্থানের মূলে ছিল এই ফেটো-বাহিনী।

তবে তুরস্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রিস। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নোটিস মিতারাচি বলেছেন, নিহত ১২ শরণার্থী মৃত্যু একটি ট্র্যাজেডি ছিল। তবে তুরস্কের এ ঘটনা মিথ্যা প্রচার করছে।

ভৌগোলিকভাবে ইউরোপ আর এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধ করেছে তুরস্ক। দেশটির এই অবস্থানগত সুবিধার কারণে এশিয়া, আফ্রিকা থেকে আসা শরণার্থীরা স্থলপথে তুরস্ক হয়েই ইউরোপে ঢোকার পথ খোঁজেন। তবে বহু সময় মানব পাচারকারী চক্রের ফাঁদে পড়ে প্রাণ হারান অনেক মানুষ।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102