

মোঃ আবুবকর সিদ্দীক, খুলনা: খুলনার নতুন রাস্তায় প্রতারক চক্র সক্রিয়। তাদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে সরল মানুষগুলো।প্রতারণার মাধ্যমে নগদ টাকা, সর্নালন্কার ও মোবাইল ফোনসহ ছিনিয়ে নিচ্ছে মুল্যবান জিনিস সংঘবদ্ধ একটি চক্র।
রবিবার (১৭ অক্টোবর) নগরীর নতুন রাস্তা রেলক্রসিং রোডে প্রতারণার মাধ্যমে সুফিয়া বেগম নামের ষাটোর্ধ্ব এক মহিলার স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র।তবে স্থানীয়রা প্রতারণার সাথে জড়িত থাকায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। সবকিছু হারিয়ে কাঁদতে থাকেন সুফিয়া বেগম। ওই এলাকায় এটি নতুন কোন ঘটনা নয়, একই ধরণের প্রতারণার ঘটনা আগেও ঘটেছে।
সুফিয়া বেগম এ প্রতিবেদককে জানান, বুধবার সকালে তিনি খুলনা মহাহিসাব রক্ষকের (এজি) কার্যালয়ে আসেন। দু’দিন আগে তার দেবর মারা যান। দেবর সরকারি চাকুরীজীবী হওয়ায় সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর সোনাডাঙ্গা হয়ে তিনি বাসার উদ্দেশে রওনা হন। বেলা পৌনে ১২ টার দিকে নগরীর নতুন রাস্তা মোড়ে পৌছালে অপরিচিত দু’জন লোক এসে তার হাত ধরে বলে রাস্তা পার করে দিচ্ছি। রেলক্রসিং মোড়ে পৌছালে ওই দু’জন তার হাত থেকে ব্যবহৃত ব্যাগ নেওয়ার পর কানের দুল খুলতে বললে খুলে দেন তিনি। এরপর ওই প্রতারকরা সটকে পড়ে। কিছুক্ষণ পর হুশ ফিরে আসলে ব্যাগ ও কানের দুল খুঁজতে থাকেন সুফিয়া বেগম। ব্যাগের ভেতর নগদ কিছু টাকা প্রয়োজনীয় কাগজ ও মোবাইল ফোন ছিল। সবকিছু হারিয়ে তিনি কাঁদতে থাকেন। তিনি বঙ্গবাসী স্কুল সংলগ্ন আনসার উদ্দিনের স্ত্রী।
গতমাসে একই চিত্রের অবতারণা হয় একই স্থানে।গত ১৫ সেপ্টেম্বর রেলক্রসিং এলাকার আব্দুল জলিলের স্ত্রী রেহেনা বেগমের কাছ থেকে একইভাবে প্রতারণার মাধ্যমে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। উপস্থিত অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বয়স্ক ও সরলসোজা মহিলারা এদের টার্গেট। অভিযোগ রয়েছে ইতিপূর্বের ঘটনাগুলো খালিশপুর থানায় অবগত করা হলেও থানা পুলিশ এ সব প্রতারকদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।