বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জটিলতার পর সেই সচেতনতা বেড়ে গিয়েছে আরও কয়েক গুণ। প্রতিদিনের খাবার ও খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। স্বাস্থ্য সচেতন
বাজারে এখন নানা জাতের আমের সমারোহ। আম এমন একটি ফল যা ছোট বড় সবার পছন্দের। মিষ্টি-রসালো স্বাদের আম পুষ্টিগুণেও ভরপুর। আম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারের ভাণ্ডার । এসব উপাদান শরীরে শক্তি
তপ্ত আবহাওয়ায় শরীর শীতল রাখতে গ্রীষ্মের বিভিন্ন ফলের জুড়ি নেই। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রসালো তালশাঁস। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন, ফাইবার এবং খনিজ উপাদান মেলে এতে। এছাড়া তালশাঁসের বেশির ভাগ অংশই জলীয়।
গ্রীষ্মের প্রখর দাবদাহে ফ্রিজের এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি স্বর্গীয় প্রশান্তি দেয় বটে, কিন্তু তা শরীরে বাড়িয়ে দেয় পানির চাহিদা। হঠাৎ করে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পান করার ফলে রক্তনালিগুলো সংকুচিত হয়ে
গরমে মিষ্টির জায়গা কিছুটা হলেও কেড়ে নিয়েছে আম। আমের সঙ্গে মিষ্টির কিন্তু কোনও বিরোধিতা নেই। বরং আম দিয়েই বানিয়ে নিতে পারেন ভাপা সন্দেশ। রইল প্রণালী। উপকরণ ছানা: ৩০০ গ্রাম চিনি:
দূষণের মাত্রা বাড়ছে ক্রমশ। শরীরের উপর এর প্রভাব তো পড়ছেই। এই অত্যধিক দূষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না বাড়িঘরও। দূষণের হাত থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি নিজেদের ঘরও কিন্তু দূষণমুক্ত
রেফ্রিজারেটর যেকোনো পরিবারের খাদ্যাভাসের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। শুধু তাই না, পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্যও অনেক সময় নির্ভর করে রেফ্রিজারেটরের ওপর। গ্রীষ্মের মৌসুমে খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রাখা যায় না। কারণ উচ্চ
একটি আমের দাম ২৪ হাজার ৭৩৫ টাকা। জাপানের হিরোউকি নাকাগাওয়া আমটি বিক্রি করেন ২৩০ ডলারে। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৪,৭৩৫ টাকা। এর মধ্য দিয়ে তার উৎপাদিত আম বিশ্বের সবচেয়ে দামী
বাঙালির অতিপ্রিয় খাবারের একটি হলো আম। আম কাঁচা হোক বা পাকা পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু ফল হচ্ছে এই আম। আম পছন্দ করে না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে
শীতকালে সবাই চায় গরম পানিতে দিয়ে গোসল সারতে। কারণ ঠান্ডার দিতে গরম পানি শরীরে আরামদায়ক অনূভুতি দেয়। অপরদিকে গ্রীষ্মকালে বেশিরভাগ মানুষ ঠিক বিপরীত কাজটি করেন। অর্থাৎ গরমের দিনে ঠান্ডা পানিতে গোসল করে