প্রকৃতি ও পরিবেশের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পানি শূন্যতা হ্রাস ও এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ গড়ে তুলতে আমরা বাঁশ এর ফলন ও এর
বাস্তুতন্ত্র, প্রকৃতি ও পরিবেশ অবস্থান সঠিক রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো যেন সবার কাছে দৃশ্যমান হয়। রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে
শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশের উদ্যোগে ৫শতাধিক অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ মিলনায়তনে বাকলিয়া বগারবিল এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে
পার্বত্য এলাকার মানুষরা নিজেদের চাহিদা ও সমস্যাগুলোর কথা গুছিয়ে বলতে জানে না। তাই এ এলাকার সহজ সরল মানুষদের সমস্যাগুলো অনুভব করুন আর তা দ্রুত সমাধান করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন। শনিবার
বান্দরবানের লামায় অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পূর্ব বেতছড়া
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বৃহত্তর হোয়ারপাড়া বৌদ্ধ কল্যাণ সমিতি- চট্টগ্রাম মহানগর এর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মেলন নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি ডা. অনিল কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গ্রেটার চট্রগ্রাম এসোসিয়েশন, ইউকে এর উদ্যোগে আলোচনা সভা, শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশনের ট্রাস্টি ব্যারিস্টার আবুল মনসুর শাহজাহান
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকালে রাঙ্গামাটি সদরে মোনঘর প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেন শুধু লোক দেখানো পরিবর্তন নয়,
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ইউএনডিপি’র ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়্যুগেস প্রধানাং–এর নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের সময় বাস্তুতন্ত্র, প্রকৃতি ও পরিবেশ অবস্থান সঠিক রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই
পরিবেশ সুরক্ষায় ৪০ শতাংশ অক্সিজেন পাওয়া যায় পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা থেকে। এর মধ্যে আমাদের খাদ্য পাওয়া যায় ২২ শতাংশ গাছপালা থেকে। বাকি ৭৮ ভাগ গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।