বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ছাত্র আন্দোলনের নামে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা—-ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ দেশকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার জ্বালিয়ে দিয়েছে—-তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ালেন বাইডেন দেশব্যাপী নাশকতায় বিএনপি-জামায়াত জড়িত আরো তিন দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ফিফা র‍্যাংকিংয়ে সেরা আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল কোথায়? শিক্ষার্থীদের লাশ বানিয়ে ফায়দা লোটার অপচেষ্টায় বিএনপি-জামায়াত: কাদের পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে : পলক কোটা আন্দোলনকারীদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪
  • ৩৫ এই পর্যন্ত দেখেছেন

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বেগম সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মদিন’ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন  “গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁর বিদেহ আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

কবি বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। একদিকে তিনি ছিলেন আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা ও প্রতিজ্ঞা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সঞ্চারিত হয় ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ছাত্রীনিবাসের নাম ‘রোকেয়া হল’ রাখা হয়। তিনি ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার বেতারে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলেন। শিশু সংগঠন ‘কচি-কাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল। কবি বেগম সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চলতে থাকে তাঁর সাহিত্যচর্চা। ১৯৩৮ সালে কবি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাজের মায়া’র মুখবন্ধ লেখেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। যা সেই সময়ের পাঠকসহ লেখকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ-সংস্কার, নারীমুক্তি এবং শিশুতোষ রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনীতে সমৃদ্ধ হয়েছে।

কবির ভাষায়-
তোমাদের গানে, কল-কলতানে উছসি উঠিবে নদী-
সরস করিয়া তৃণ ও তরুরে বহিবে সে নিরবধি
তোমরা আনিবে ফুল ও ফসল পাখি- ডাকা রাঙা ভোর
জগৎ করিবে মধুময়, প্রাণে প্রাণে রাঁধি প্রীতিডোর।

কালজয়ী কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মদিনে তাঁর জীবনদর্শন ও সাহিত্যকর্ম প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পাঠকের হৃদয় আলোকিত করবে- এই প্রত্যাশা করি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102