সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে কটাক্ষের দায়ে যুবক আটক স্বপ্না ফিজিওথেরাপি ও হিজামা সেন্টারের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ পঞ্চগড়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন ভারি বৃষ্টিপাতে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সামসুল হক ও সম্পাদক গোলাম রাব্বানি নির্বাচিত খাল খননে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে তিন দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রীর সাথে কানাডিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ১০ সদস্য গ্রেফতার

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে

সারাদেশের ভোটের ফলাফল: কোন আসনে কে জয়ী

মো. শাহজাহান মিয়া
  • খবর আপডেট সময় : রবিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৩৩৮ এই পর্যন্ত দেখেছেন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা। গণনা শেষে বেশ কয়েক জায়গায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল ঘোষণা করছেন। এর আগে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, এবারের নির্বাচনে ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এবার জেনে নিন কোন আসনে কে জয়ী-

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া -কোটালীপাড়া) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই আসনের মোট কেন্দ্র ১০৮। সব কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে শেখ হাসিনা ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ আবুল কালাম ৪৬০ ভোট পেয়েছেন। আরেক প্রার্থী মাহাবুর মোল্যা পেয়েছেন ৪২৫ ভোট।

সিলেট-৬ আসনে চমক দেখিয়ে ১৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ আসনে নাহিদ পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সরওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৮৭ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৮ ভোট।

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ি) আসনে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৮ ভোট।

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে আওয়ামী লীগের সফিউল আলম চৌধুরী নাদেল নৌকা প্রতীকে ৭২ হাজার ৭১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী একে এম শফি আহম্মদ ছলমান ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৫৫২ ভোট। আর তৃণমূল বিএনপির আর এম এম শাহীন সোনালী আঁশ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৪৯টি।

মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার সদর-রাজনগর) ভোট কেন্দ্রে নৌকা মার্কার প্রার্থী মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী জাতীয় পাটির মো. আতাফুর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৬৯৮ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আওয়ামী লীগের আব্দুস শহীদ ২ লাখ ১২ হাজার ৪৯১ ভোটে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আব্দুল মুহিত হাসানি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে ৫ হাজার ৩৯০ ভোট পেয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। হাফিজ উদ্দিন পেয়েছেন এক লাখ ৮ হাজার ৫১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি প্রতীকে গোপাল চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৬৫ হাজার ২০৪ ভোট।

মেহেরপুর-১ আসনে বেসরকারি ফলাফল জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫০৪ ভোট।

বান্দরবান আসনে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বীর বাহাদুর উশৈ শিং। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৭২ হাজার ২৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের এ টি এম শহীদুল ইসলাম পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৩ ভোট।

খুলনা-৬ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. রশিদুজ্জামান। তিনি এক লাখ ৩ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম ছিলেন ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জি এম মাহবুবুল আলম। তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার ২৬১ ভোট।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী ঈগল প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৯ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭২৬ ভোট। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৭৭টি।

কিশোরগঞ্জ-৪ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের ফলাফলে টানা চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফজাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সুব্রত পাল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯০১ ভোট।

খুলনা-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী নারায়ণ চন্দ্র বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ৪৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী শেখ আকরাম হোসেন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ১৫০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে ৫৭ হাজার ৫৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মুজিবুল হক চুন্নু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব) নাসিমুল হক পেয়েছেন ৪২ হাজার ২৩৫ ভোট।

বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার। এ আসন থেকে তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৬৮ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদার পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২০৪ ভোট।

মেহেরপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস এম নাজমুল হক সাগর । তিনি ৭২৭২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মকবুল হোসেন পেয়েছেন ৪৯৫৯৩ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮০২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাই সরকার। তিনি পেয়েছেন ৫৯৭৫৬ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ডা. মো. হামিদুল হক খন্দকার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৯৪৮ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সৌমেন্দ্র সেন গবা পান্ডে নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫৩৩৬৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আক্কাস আলী ট্রাক প্রতীক পেয়েছেন ৩৫৫১৫ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব হাসান পলাশ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৬৬৫৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২৬৮৪ ভোট। দুপুরের পর অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন তিনি।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেল। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯৯৫ ভোট।

লালমনিরহাট-১ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোতাহার হোসেন ৮৯ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান প্রধান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৩২ ভোট পান।

লালমনিরহাট-২ আসনে নৌকার প্রার্থী সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ৯৭ হাজার ২৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সিরাজুল হক পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫০০ ভোট।

লালমনিরহাট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী জাবেদ হোসেন পেয়েছেন ১২ হাজার ৮০ ভোট।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে বেসরকারিভাবে ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিন। এক লাখ পাঁচ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম লিটন। তিনি পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৭৭ ভোট।

নোয়াখালী-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক লাখ ৮১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী খাজা তানভীর আহমেদ (লাঙ্গল) পেয়েছেন নয় হাজার ৭০২ ভোট, জাসদের প্রার্থী মকছুদের রহমান (মশাল) পেয়েছেন দুই হাজার ১৩২ ভোট, ছড়ি প্রতীকে সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাকিল মাহমুদ চৌধুরীও পেয়েছেন দুই হাজার ১৩২ ভোট, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা (চেয়ার) পেয়েছেন এক হাজার ৪৯৩ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাজমুল হাসান পাপন বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৯৮ হাজার ১৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের হাজি রুবেল তিন হাজার ২০৬ ভোট পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের নুরুল কাদের সোহেল পেয়েছেন তিন হাজার ৫৬ ও স্বতন্ত্র আব্দুস সাত্তার (ঈগল) পেয়েছেন দুই হাজার ৪৬৯ ভোট।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা। তিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৯০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নৌকা প্রতীকের ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪৬৬ ভোট।

বরিশাল-৫ আসনে ১৭৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কর্নেল অব জাহিদ ফারুক শামীম। তিনি ৯৭ হাজার ৭০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপন। তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩৭০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বড় ভাইকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী ডা. সৈয়দ জাকির নূর লিপি। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৬২ ভোট। লিপির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব) সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৯৮ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম সুজন। মোট ১০৪টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে মাজহারুল ইসলাম সুজন নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী আসলাম জুয়েল ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ২শ ৩৪ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কলারছড়ি প্রতীকের মঈন উদ্দিন। তিনি ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৩১ভোট।

সাতক্ষীরা-২ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আশরাফুজ্জামান আশু বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৪৭ ভোট।

নওগাঁ-৬ (রানীনগর-আত্রাই) আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক সুমন। তিনি ট্রাক প্রতীকে ৭৬ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭১ ভোট।

ঢাকা-১ আসনে (দোহার-নবাবগঞ্জ) আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সালমান এফ রহমান। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালমা ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৯৩০ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দল ওদুদ। তিনি ৯১ হাজার ৬০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএম মনোনীত নোঙর প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৪৩ ভোট।

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ২১ হাজার ৬২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৭১ ভোট।

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব‍্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ঈগল প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬৯ হাজার ৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ‍্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলী পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৫৪৩ ভোট। অর্থাৎ ৯৯ হাজার ৫৫৬ ভোট বেশি পেয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন।

ব‍্যারিস্টার সুমনের বিজয়

নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ছলিম উদ্দীন তরফদার ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ৫১ ভোট।

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে ৮৫ হাজার ১৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ব্রহানী সুলতান মামুদ গামা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাহিদ মোর্শেদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৩২ ভোট।

মাদারীপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী নূর-ই-আলম চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের মোতাহার হোসেন চৌধুরী সিদ্দিক পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৮২৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৯ হাজার ৩০১ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবু। তিনি এক লাখ ৬৮ হাজার ২৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর সিকদার লোটন। তিনি পেয়েছেন সাত হাজার ২৫৬ ভোট।

ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজুমদ্দিন) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন ১ লাখ ৭১ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিন (ঈগল) প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৮৬ ভোট। এছাড়াও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন ১ হাজার ৬৫৩ ভোট ও কংগ্রেস প্রার্থী ডাব প্রতীক নিয়ে মোঃ আলমগীর পেয়েছেন ১ হাজার ৫১১ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে দুই লাখ ২০ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহীন খান পেয়েছেন ছয় হাজার ৫৮৬ ভোট।

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও রংপুর সিটির ১ থেকে ৮ নং ওয়ার্ড) আসনে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলুর কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা এবং এইচএম এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ। রাঙ্গার চেয়ে তিনগুণ এবং আসিফের চেয়ে সাতগুণ বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বাবলু।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে নৌকার প্রার্থী শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের ব্যারিস্টার সানজিদ রশিদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ হাজার ৯৮২ ভোট।

খাগড়াছড়ি আসনে বেসরকারি ফলাফলে হ্যাটট্রিক জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। তিনি ২ লাখ ২০ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৯’শ ৩৮ ভোট।

মাদারীপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাজাহান খান। তিনি ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম নুরুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১৫ ভোট।

ঢাকা-১৬ আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা। এ আসলে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৬৩১টি। ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রবিন পেয়েছেন ছয় হাজার ৩১৪ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমানত হোসেন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন দুই হাজার ৩৪৮ ভোট।

খুলনা-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ননী গোপাল মণ্ডল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রশান্ত রায় পেয়েছেন ৫ হাজার ২৬২ ভোট। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হলেন।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ ৫১ লাখ ৭১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম নৌকার প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম বকুল পেয়েছেন ৪৮ হাজার ২৫৮ ভোট।

নাটোর-২ (নাটোর সদর- নলডাঙ্গা) আসনে নৌকার প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আহাদ আলী সরকার পেয়েছেন ৬১ হাজার ৮৫টি ভোট।

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে অ্যাড. জুনাইদ আহমেদ পলক ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮০২টি এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম শফিক পেয়েছেন ৪২ হাজার ৯৯৭টি ভোট।

নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৮২টি এবং ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ আব্দুল্লাহ বিন কুদ্দুস শোভন পেয়েছেন ৯০ হাজার ৭৪৮টি ভোট।

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মোশতাক আহমেদ রুহী নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ওরফে ঝুমা তালুকদার (ট্রাক) পেয়েছেন ২৫ হাজার ২১৯ ভোট।

নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে নৌকার প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৫ হাজার ৩৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ খান জয় (ঈগল) পেয়েছেন ৮৬ হাজার ২৮৭ ভোট।

নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু ট্রাক প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৮০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত অসীম কুমার উকিল পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৫৫০ ভোট।

নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ-মদন-খালিয়াজুরী) আসনে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী সাজ্জাদুল হাসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লিয়াকত আলী খান লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন তিন হাজার ৩৪০ ভোট।

হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাই) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৬০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এমএ মুমিন চৌধুরী বুলবুল পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৬ ভোট।

মাদারীপুর-৩ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মোসা. তাহমিনা বেগম। তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ পেয়েছেন ৬১ হাজার ৯৭১ ভোট।

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৫৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হুদা পটল পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৬৭ ভোট।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামারুল আরেফিনের কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এই আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে কামারুল আরেফিন পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সংসদ সদস্য হাসানুল হক ইনু পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৭৯ হাজার ৭৩৫ ভোট ।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পারভেজ আনোয়ার তণু পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৭২৬ ভোট।

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান সাংসদ সেলিম আলতাফ জর্জ নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ১১১ ভোট।

ঢাকা-৩ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৩২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জাতীয় পার্টির মনির সরকার লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৮৬৮ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে নৌকাকে ডুবিয়ে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে ৮৯ হাজার ৪৩৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাহার আকন্দ পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৩২ ভোট।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পারভেজ আনোয়ার তণু পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৭২৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৩৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব তরমুজ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৫৮৭ ভোট।

ঢাকা-২০ আসনে (ধামরাই) নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বেনজীর আহমেদ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৯টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাদ্দেছ হোসেন কাঁচি প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৬১৩টি।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্ত। তিনি ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুনতাকিম আশরাফ টিটু। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৬৮ ভোট।

খুলনা-৩ আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এসএম কামাল হোসেন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯০ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭৩ ভোট।

চট্টগ্রাম ১০ আসনে মহিউদ্দিন বাচ্চু নৌকা প্রতীকে ৫৯ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুলকপি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মনজুর আলম পেয়েছেন ৩৯৫৩৫ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত। তিনি ১ লাখ ১২ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খোকা তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮১১ ভোট।

বরিশাল-১ আসনে ১২৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আম প্রতীকের ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) মো. তুহিন। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ২১৮ ভোট।

মেহেরপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস এম নাজমুল হক সাগর। তিনি ৭২ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মকবুল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৫৯৩ ভোট।

মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাকিব আল হাসান নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হোসেন ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৭৩ ভোট।

সাকিবের ছক্কা

রংপুর-৩ (সদর ) আসনের বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। লাঙ্গল প্রতীকের এ হেভিওয়েট প্রার্থী ৮১ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী তৃতীয় লিঙ্গের আনোয়ারা ইসলাম রানী ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৩২৬ ভোট। মোট ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন।

রংপুরে জি এম কাদেরের জয়

ময়মনসিংহ-৮ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান সুমন। তিনি ৫৬ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ফখরুল ইমান। তিনি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯৮৪ ভোট।

নরসিংদী-১ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান এমপি লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ৯২ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ৫৪ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়েছেন।

নড়াইল-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে প্রায় দুই লাখ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তুজা। মাশরাফি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ১০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান হাতুড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১ ভোট।

ঢাকা-১০ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। ফেরদৌস মোট ভোট পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৯৮টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী শামসুল আলম আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ২৫৭ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৮ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির দলীয় লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল ওয়য়হাব পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৩৫ ভোট।

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন। তিনি ১ লাখ ৮ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী, আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৩২ ভোট এবং জাতীয় পার্টির নুর আলম মিয়া পেয়েছেন ৯ হাজার ১৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-৫ আসনে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ লাঙ্গল প্রতীকে ৫০ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী কেটলি প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬২৫১ ভোট। চট্টগ্রাম-৫ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নেই। ওই আসনে জাতীয় পার্টিকে সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে জয়ী হয়েছেন কলার ছড়া প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ একরামুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯১ ভোট। একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। তিনি এক লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এ নিয়ে চতুর্থ বারের মতো নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজুর রহমান কেচি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৭ভোট।

হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান এমপি মো. আব্দুল মজিদ খান পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৬০৬ ভোট। এ আসনে মোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫০টি।

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে আওয়ামী লীগ নেতা, স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার এক লাখ ৯ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের রাশেক রহমান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৫৯০ ভোট।

পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনে নৌকার প্রার্থী ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু ৯৪ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ পেয়েছেন ৭২ হাজার ৩৮৭ ভোট। ১২৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আসতে পারেননি অন্য কোনো প্রার্থী। অন্য ৫ প্রার্থী সবাই মিলে যেখানে পেয়েছেন ১১ হাজার ৪০১ ভোট, সেখানে নৌকার প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ একাই পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯০৯ ভোট।

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে টানা চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রাব্বানী পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪১৯ ভোট।

মাহির ট্রাক

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ফাহমী গোলন্দাজ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন দুই লাখ ১৬ হাজার ৮৯৩টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের আবুল হোসেন দীপু পেয়েছেন সাত হাজার ৫১৯ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মোতালেব ঈগল প্রতীকে ৮৫ হাজার ৬২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫২ ভোট। এর মাধ্যমে এবার আসনটি হাতছাড়া হলো নৌকার।

মাগুরা-২ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীরেন শিকদার নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মুরাদ আলী লাঙ্গল প্রতীকে ১৩ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ফয়জুর রহমান বাদল। তিনি এক লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মোবারক হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৭৮ ভোট।

ঢাকা-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সানজিদা খানমকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওলাদ হোসেন। আওলাদ হোসেন মোট ভোট পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭৭৫টি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সানজিদা খানম নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৭৭টি। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৯৮ ভোট।

রাজশাহী-৫ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। তিনি ৮৬ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৮৬২ ভোট।

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক। তিনি পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৯৯ ভোট। এ নিয়ে পরপর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষক লীগ নেতা বিশ্বনাথ সরকার বিটু পেয়েছেন ৬১ হাজার ৫৮৩ ভোট এবং জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬৪০ ভোট।

ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬১০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. জুবের আলম খান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৮০ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫০ জন। ভোটকেন্দ্র ১১০টি। মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৪৯ হাজার ৫৬২টি। ভোটদানের হার ১৮ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন টানা তৃতীয়বারের মত জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ এ আসন থেকে টানা তিনবার হেরেছেন। ঈগল প্রতীকে নিক্সন এক লাখ ৪৮ হাজার ৩৫ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন। অন্যদিকে নিক্সনের কাছে টানা তৃতীয়বারের মত পরাজিত হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন নৌকার প্রার্থী কাজী জাফর উল্যাহ। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ২৪ হাজার ৬৬ ভোট। সে হিসাবে নিক্সন চৌধুরী ২৩ হাজার ৯৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনে টানা পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৮৪ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির শাহজাহান আলী চৌধুরী লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৩ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান। তিনি ২৭ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবন পেয়েছেন ১২ হাজার ৪০৩ ভোট।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালিগঞ্জের আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এস এম আতাউল হক দোলন বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএম মনোনীত নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী এইচএম গোলাম রেজা পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ ভোট।

ফেনীর তিনটি আসনে বেসরকারিভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে দুটি আসনে আওয়ামী লীগ, একটিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

ফেনী-১ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। তিনি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শাহরিয়ার ইকবাল। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ১৯৫ ভোট। ফেনী-১ আসনে ১৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩০৬ জন। আসনটির ১১৫ ভোটকেন্দ্রের ৭৭৯ ভোটকক্ষে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়।

ফেনী-২ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী। তিনি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ারুল করিম ফারুক। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৮ ভোট। ফেনী-২ আসনে ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার ৪ লাখ ১০ হাজার ৪৭৭ জন। আসনটির ১৪০ ভোট কেন্দ্রের ৮২৭ ভোট কক্ষে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়।

ফেনী-৩ আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ফলাফলে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়েছেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। তিনি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা রহিম উল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৬২৬ ভোট। জানা গেছে, তিনি দুপুরের পর অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন। ফেনী-৩ আসনে ১৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৩৪৩ জন। আসনটির ১৪৪ ভোটকেন্দ্রের ৯৮৮ ভোটকক্ষে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়।

মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে মোট ১৭০টি ভোটকেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ভোটে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার কবির ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৫৪০ ভোট।

মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের অ্যাডভোকেট সোহানা তাহমিনা পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৯৬ ভোট।

মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে ভোটকেন্দ্র ১৬৯টি। আসনটিতে গত দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়রের মসনদ ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া ফয়সাল বিপ্লব। প্রাপ্ত ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাঁচি প্রতীকের ফয়সাল বিপ্লব ৮৯ হাজার ৭০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৩৩ ভোট।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে নৌকার প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আফিল উদ্দিনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বেনাপোলের সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৭৭ ভোট। এই আসনের অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টির মো. আক্তারুজ্জামান লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ১৫১ ভোট।

যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৩৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের অ্যাডভাকেট মনিরুল ইসলাম মনির পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮৮২ ভোট।

যশোর-৩ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কাজী নাবিল আহমেদ পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৭২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মোহিত কুমার নাথ পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৫১১ ভোট।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও অভয়নগর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত এনামুল হক বাবুল নৌকা প্রতীক নিয়ে এক লাখ ৮১ হাজার ২৯৫ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাতীয় পার্টির জহুরুল হক লাঙ্গল প্রতীকে ১০ হাজার ৩৪৬ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে বর্তমান এমপি স্বতন্ত্র প্রার্থী রণজিৎ কুমার রায় ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮৬ ভোট।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াকুব আলী ঈগল প্রতীকে নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৪৬৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৪৬৮ ভোট।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজুল ইসলাম ঈগল প্রতীকে ৪৮ হাজার ৯৪৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন চাকলাদার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ২৬৯ ভোট। এখানে আওয়ামী লীগের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচ এম আমির হোসেন কাঁচি প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২০৯ ভোট।

পাবনা-১ আসনে মোট ১২৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ৭২ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়েছেন। ২০ হাজার ৯৫৭ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু নির্বাচিত হয়েছেন।

পাবনা-২ আসনে নৌকার প্রার্থী আহমেদ ফিরোজ কবির বিজয়ী হয়েছেন। ১০৮টি কেন্দ্রের মোট ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএম’র নোঙর প্রতীকের প্রার্থী ডলি সায়ন্তনী পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৮২ ভোট।

পাবনা-৩ আসনে বেসরকারি ফলাফলে নৌকার প্রার্থী মকবুল হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। মোট ১৭৬টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৬৯ ভোট পেয়েছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক প্রতীকের আব্দুল হামিদ পেয়েছেন ১ লাখ ১৫৯ ভোট।

পাবনা-৪ আসনে মোট ১২৯ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গালিবুর রহমান শরীফ পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৪৩ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতীকের পাঞ্জাব আলী বিশ্বাস পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৬২ ভোট। নৌকার প্রার্থী গালিবুর রহমান শরীফ ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৮১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

পাবনা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স পেয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির হাতুড়ি প্রতীকের জাকির হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৩১৬ ভোট। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আব্দুল কাদের খান কদর পেয়েছেন ২ হাজার ৭৬৬ ভোট, তৃণমূল বিএনপির আফজাল হোসেন বটু সোনালী আঁশ প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫৯ ভোট এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোহাম্মদ আবু দাউদ আম প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৫৫৪ ভোট।

পঞ্চগড়-১ আসনে (পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া) আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪২ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার সাদাত পান ৫৭ হাজার ২১০ ভোট।

পঞ্চগড়-২ আসনে (বোদা ও দেবীগঞ্জ) রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে পান ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান রিপন লাঙ্গল প্রতীকে পান ৭ হাজার ৬২৭ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছেন মোট ৮৮ হাজার ২৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হাই সরকার পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৭৫৬ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. হামিদুল হক খন্দকার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. পনির উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৮ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সৌমেন্দ্র সেন গবা পান্ডে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন মোট ৫৩ হাজার ৩৬৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আক্কাস আলী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫১৫ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. বিপ্লব হাসান পলাশ। নৌকা প্রতীকে নিয়ে তিনি ভোট পেয়েছেন মোট ৮৬ হাজার ৬৫৮টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মুজিবুর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৪ ভোট। উল্লেখ্য, তিনি দুপুরের পর অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন ঢেঁকি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার সাগর। তিনি ৬৬ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪৯১ ভোট।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সারোয়ার কবীর ৬৪ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রশীদ সরকার পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩৭ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে নৌকার প্রার্থী উম্মে কুলসুম স্মৃতি বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৫৭ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল হক সরকার পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৮২ ভোট।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ১৭১ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৫০ ভোট।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৩৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী ফারজানা রাব্বী বুবলী পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫২৬ ভোট।

শেরপুর-১ (সদর) আসনে মোট ১৪৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ঘোষিত ১৪৩ কেন্দ্রের ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানুয়ার হোসেন ছানু ট্রাক প্রতীকে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আতিউর রহমান আতিক পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩৭ ভোট। এছাড়া লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক মনি পেয়েছেন ২ হাজার ৩০৭ ভোট। এ আসনের মুকসুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফলাফল বাতিল করা হয়েছে।

শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বেগম মতিয়া চৌধুরী ২ লাখ ২০ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে ষষ্ঠবারের মতো জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ সাঈদ ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৪২ ভোট। এছাড়া জাসদ প্রার্থী লাল মোহাম্মদ শাজাহান মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৭৬ ভোট।

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে মোট ১২৬টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এডিএম শহীদুল ইসলাম ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৭২৮ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী ইকবাল আহসান পেয়েছেন ২ হাজার ৫৮০ ভোট।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে মোট ১৪৩টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে মাহমুদুল হক সায়েম ট্রাক প্রতীকে ৯৩ হাজার ৫৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুয়েল আরেং নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৮৯২ ভোট।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে মোট ১৭৪ ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে শরীফ আহমেদ নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ শহীদ সারোয়ার ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ১৫ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে মোট কেন্দ্র ৯২টি। সেখানে নিলুফার আনজুম পপি নৌকা প্রতীকে ৫৩ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোমনাথ সাহা ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ২১১ ভোট। একটি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল হওয়ায় এ আসনের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে মোট ১৭৭টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রাপ্ত ফলাফলে মোহিত উর রহমান শান্ত নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল হক শামীম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৫৪৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে মোট ১০৪টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে ৫২ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৬৮ ভোট।

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে মোট ১২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে আবদুল মালেক সরকার ট্রাক প্রতীকে ৫২ হাজার ২৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোসলেম উদ্দিন নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৫৮ ভোট।

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে মোট ১২০টি ভোটকেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ ট্রাক প্রতীকে ৭১ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাফেজ রুহুল আমিন মাদানি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৫৩১ ভোট।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে মোট ৯২টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে মাহমুদ হাসান সুমন ঈগল প্রতীকে ৫৬ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফখরুল ইমাম লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯৮৪ ভোট।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে মোট ১২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুস সালাম নৌকা প্রতীকে ৮০ হাজার ৭৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৮৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-পাগলা) আসনে মোট ১১১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ১১১ ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ৮৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন দীপু ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫১৯ ভোট।

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে মোট ১০৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে এমএ ওয়াহেদ ট্রাক প্রতীকে ৯৫ হাজার ২৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪২০ ভোট।

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার আনোয়ারুল হক ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পেয়েছেন ৪ হাজার ১৭৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৮৬ ভোট।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আমানুর রহমান খান রানা বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ৭৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান খান পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৩৫ ভোট।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৯৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৫ ভোট।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ছানোয়ার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭২ হাজার ২৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মামুন অর রশীদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৬৭ ভোট।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আহসানুল ইসলাম টিটু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬৮৪টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তারেক শামস্ হিমু পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৯২ ভোট।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৯৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর এনায়েত হোসেন মন্টু পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২৩১ ভোট।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয় বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫০১ ভোট।

গাজীপুর-১ আসনে ১ লাখ ৯ হাজার ২১৮ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম রাসেল। তার ভোট ৯২ হাজার ৭৮৮।

গাজীপুর-২ আসনে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন পেয়েছেন ৮১ হাজার ৮০৪ ভোট।

গাজীপুর-৩ আসন থেকে বেসরকারিভাবে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের রুমানা আলী টুসি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন সবুজ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৬৭৪।

গাজীপুর-৪ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৮৯ হাজার ৭২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ঈগল প্রতীকের মো. আলম হোসেন, তিনি পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫ ভোট।

গাজীপুর-৫ আসনে ৮২ হাজার ৭২০ ভোট পেয়ে ট্রাক প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি-জিএস আখতারউজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নৌকা প্রতীকের বর্তমান এমপি মেহের আফরোজ চুমকি। তিনি পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৮৩ ভোট।

নরসিংদী-১ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান এমপি লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ৯২ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ৫৪ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়েছেন।

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান এমপি ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ ৫৬ হাজার ৫০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এ.এন.এম রফিকুল আলম সেলিম ৩ হাজার ৫৩৭ ভোট পেয়েছেন।

নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ৫৬ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফজলে রাব্বি খান ৪৫ হাজার ১১৫ ভোট পেয়েছেন।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শিল্পমন্ত্রী ও বর্তমান এমপি নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ৭৯ হাজার ৩০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম খান বীরু ৬৯ হাজার ৬২০ ভোট পেয়েছেন।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান এমপি রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু ১ লাখ ১১ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী ৬৪ হাজার ৭৭ ভোট পেয়েছেন।

মানিকগঞ্জ-১ আসনে সালাউদ্দিন মাহমুদ জাহিদ। তার প্রতীক ছিল ঈগল। মানিকগঞ্জ-২ আসনে দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে (সিংগাইর, হরিরামপুর ও সদরের তিনটি ইউনিয়ন) মোট প্রার্থী ছিলেন ১০ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৯৩টি। এই আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম পেয়েছেন ৮২ হাজার ১৩৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (সদর ও সাটুরিয়া উপজেলা) মোট প্রার্থী ছিলেন ৬ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৪৩টি। এই আসনে নৌকার প্রার্থী জাহিদ মালেক পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণফেরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মফিজুল ইসলাম খান কামাল উদীয়মান সূর্য নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৯১ ভোট। এই আসনে নৌকার প্রার্থী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক টানা চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নড়াইল-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বি.এম. কবিরুল হক মুক্তি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ২০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মো. মিল্টন মোল্যা (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৫৪ ভোট। এ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম (হাতুড়ি প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ১৯৭ ভোট, জাতীয় পার্টির (জেপি) শামিম আরা পারভীন ইয়াসমীন (বাইসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ৫১৩ ভোট, তৃণমূল বিএনপির শ্যামল চৌধুরী (সোনালী আঁশ প্রতীক) পেয়েছেন ৫৬৩ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সিকদার মো. শাহাদাত হোসেন (মাথাল প্রতীক) পেয়েছেন ১ হাজার ৩১ ভোট এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী চন্দনা হক (ঈগল প্রতীক) পেয়েছেন ৮৮১ ভোট।

নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মুর্তজা ১ লাখ ৮৯ হাজার ১০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান (হাতুড়ি প্রতীক) পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১ ভোট। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান (ফিরোজ) লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৯০৯ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, এনপিপির প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম আম প্রতীকে ৫৮০ ভোট, গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. লতিফুর রহমান মাছ প্রতীকে ৫৮২ ভোট, ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান মিনার প্রতীকে ১ হাজার ৮৫২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমির (লিটু) ট্রাক প্রতীকে ৩৫৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুর ইসলাম ঈগল প্রতীকে ১ হাজার ৩৬৩ ভোট পেয়েছেন।

সাতক্ষীরা-১ আসনে ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের সৈয়দ দীদার বখত পেয়েছেন ১৮ হাজার ৫৫৩ ভোট।

সাতক্ষীরা-২ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আশরাফুজ্জামান আশু বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৪৭ ভোট।

সাতক্ষীরা-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৭৩ ভোট।

সাতক্ষীরা-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এসএম আতাউল হক দোলন বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনএম মনোনীত নোঙ্গর প্রতীকের প্রার্থী এইচএম গোলাম রেজা পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৮ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছেন মোট ৮৮ হাজার ২৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল হাই সরকার পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৭৫৬ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. হামিদুল হক খন্দকার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. পনির উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৮ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সৌমেন্দ্র সেন গবা পান্ডে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন মোট ৫৩ হাজার ৩৬৭টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. মো. আক্কাস আলী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫১৫ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. বিপ্লব হাসান পলাশ। নৌকা প্রতীকে নিয়ে তিনি ভোট পেয়েছেন মোট ৮৬ হাজার ৬৫৮টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মুজিবুর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৪ ভোট। উল্লেখ্য, তিনি দুপুরের পর অনিয়মের অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন।

নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার (নৌকা) এক লাখ ১৯ হাজার ৯০২ ভোট পেয়ে টানা তৃতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির তছলিম উদ্দিন (লাঙল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬৬১ ভোট।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনে আসাদুজ্জামান নূর (নৌকা) এক লাখ ১৯ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে টানা পঞ্চমবার নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন (ট্রাক) পেয়েছেন ১৫ হাজার ৬৮৪ ভোট।

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন পাভেল (কাঁচি) ৩৯ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মার্জিয়া সুলতানা (ঈগল) পেয়েছেন ২৫ হাজার ২০৫ ভোট।

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম (কাঁচি) ৬৯ হাজার ৯১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকছেদুল মোমিন (ট্রাক) পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৩০১ ভোট।

জয়পুরহাট-১ আসনে (সদর-পাঁচবিবি) জয় পেয়েছেন নৌকার সামছুল আলম দুদু। তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র আব্দুল আজিজ মোল্লা পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৭৭৬ ভোট।

জয়পুরহাট-২ আসনে (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) জয় পেয়েছেন নৌকার আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ১২৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর পেয়েছেন ৩২ হাজার ৫৪১ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-১ আস‌নে আওয়ামী লীগ ম‌নো‌নীত নৌকা প্রতী‌কের প্রার্থী বর্তমান এম‌পি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন চতুর্থবা‌রের মতো নির্বা‌চিত হ‌য়ে‌ছেন। তিনি ‌পে‌য়ে‌ছেন ৯৬ হাজার ২৬৬ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী ঈগল প্রতী‌কের দিলীপ কুমার আগরওয়াল পে‌য়ে‌ছেন ৭২ হাজার ৭৬৮ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-২ আস‌নে আওয়ামী লীগ ম‌নো‌নীত নৌকা প্রতী‌কের প্রার্থী বর্তমান এম‌পি আলহাজ্ব আলী আজগর টগর চতুর্থবা‌রের মতো নির্বা‌চিত হ‌য়ে‌ছেন। তিনি ‌পে‌য়ে‌ছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৯ ভোট। তার নিকটতম ট্রাক প্রতী‌কের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসেম রেজা পে‌য়ে‌ছেন ৬০ হাজার ৮৪৪ ভোট।

চলবে…

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102