

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার কথায় কথায় বলেন- খালেদা জিয়াকে দয়া দেখিয়ে বাসায় রেখেছি। আমরা দয়া চাইনি, জাস্টিস চেয়েছি। আমরা ন্যায়বিচার চেয়েছি, প্রাপ্যটা চেয়েছি।
সোমবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বিএনপি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।
![]()
ফখরুল বলেন, এ দেশে আমরা কোনো রাজা-রানির রাজত্বে বাস করি না। আমরা একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। সেই গণতন্ত্রই আজ দেশে অনুপস্থিত। তিনি অভিযোগ করেন, একটি গণতন্ত্র দেশে ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে এ ফ্যাসিস্ট সরকার। এমন কোনো নেতাকর্মী নেই, যার বিরুদ্ধে মামলা দেয়নি তারা।
খালেদা জিয়াকে কারাগারের যে কক্ষে রাখা হয়েছিল, সেটি বসবাসের উপযোগী ছিল না বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ওই সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। ওইসময় ডাক্তাররা একাধিকবার গণমাধ্যমে বলেছেন- তার উন্নত চিকিৎসা জরুরি। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। পরে করোনা শুরু হয়ে গেলে তাকে বাসায় পাঠিয়ে দেয় সরকার।
খালেদা জিয়া কারো দয়া চাননি বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তাকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা বারবার তাকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার কথা বলছেন। কিন্তু সরকার তাকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।
নিউজ /এমএসএম