

উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গোমতী জেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম অমরপুরে অভিযান চালিয়ে রাজ্যটির পুলিশ তিন ভারতীয় নাগরিকের বাড়িতে পাসপোর্ট ছাড়া থাকার অভিযোগে চার বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের পাশাপাশি তিন ভারতীয় আশ্রয়দাতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিএসপি (ক্রাইম) অভিমন্যু আর প্রসাদের নেতৃত্বে একটি দল অমরপুরের ঠাকুরচেরার তিনটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৯জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিশ্চিত করে পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজন নিজেদের পাসপোর্ট এবং বৈধ ভিসা দেখালে পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, তাদের আশ্রয়দাতা বাড়ির মালিকরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সুকুমার দাস (৬২), ব্যবসায়ী সুবীর সাহা (৬০) এবং জনৈক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শঙ্কর চক্রবর্তী। প্রশাসনকে না জানিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক চার বাংলাদেশির বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছেও বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
পুলিশের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, সুকুমার দাসের বাড়িতে অভিযানের সময় পুলিশ অংকর মিয়া (২৯), কাজল মিয়া (৪৫) ও খালেক মিয়া (৫০) কে আটক করে। তারা সবাই বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, পুলিশ সুবীর সাহার বাড়িতে অভিযান চালালে বৈধ কাগজপত্র থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের খুঁজে পায়।
অন্যদিকে, অমরপুর শহরের চন্ডিপাড়া এলাকায় শঙ্কর চক্রবর্তীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রমকারী মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা মোশাইদ আলী (২৮) নামের একজনকে আটক করে। তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলছেন, তদন্তে এটা বেরিয়ে এসেছে যে উক্ত সব বাংলাদেশি নাগরিকই একে অপরের সাথে সম্পর্কিত, তবে ভারতীয় আশ্রয়দাতাদের সাথে তাদের সম্পর্ক নেই।
নিউজ/এম.এস.এম