বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন

সংসদে প্রধানমন্ত্রী

সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনের আলোচনা চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ১৭৯ এই পর্যন্ত দেখেছেন
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন একটি নতুন ধারণা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে যেসব কোম্পানি প্রস্তাব দিয়েছে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। যদি সম্ভব হয় তাহলে মাতারবাড়ি, মহেশখালী বা বাঁশখালীতে হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।’

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আনোয়ার হোসেন তার প্রশ্নে কক্সবাজারসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে সুবিধাজনক স্থানে সাগরের পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সরকারের পরিকল্পনা আছে কিনা তা জানতে চান

জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, বিশ্বের কোনো কোনো দেশে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, যা ব্যয়সাপেক্ষ এবং তা বাণিজ্যিকভাবে ফলপ্রসূ হয়নি। তবে ভবিষ্যতে নির্মাণ খরচ কমে এলে বঙ্গোপসাগরের জোয়ার-ভাটাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করা যেতে পারে।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে

জাতীয় পার্টির সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি উচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্ত দেশ। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির পরও ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ২১ দশমিক ০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ ছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে প্রায় ১০ হাজার ৪৯৩ দশমিক ২৬ মিলিয়ন (১০ দশমিক ৪৯২ বি.) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

তিনি বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে অধিক কর্মী এবং বৈধভাবে ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো অন্যতম। আর বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা দিয়ে আসছে। সরকার এরই মধ্যে প্রণোদনার বিষয়টি ২ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করেছে। সরকারের এসব পদক্ষেপের ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে রেমিট্যান্সের কোনো বিকল্প নেই এবং তা আনতে হবে বৈধ পথে। নতুন শ্রম বাজার অনুসন্ধান, বিদ্যমান বাজার সংহত করা এবং সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলো আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102