

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, দেশের পরিবেশ ও বনের সুরক্ষা ও উন্নয়নে তিনি জেলা প্রশাসক সহ স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, যত্রতত্র অবৈধ ইটভাটা স্থাপন, জ্বালানি হিসেবে বনজ কাঠের অবৈধ ব্যবহার, নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ, অবৈধভাবে পাহাড়-টিলা কর্তনকারী, অবৈধ করাতকল, বনভূমি ও নদী-খাল-জলাশয জবর দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ জানিয়েছেন। এছাড়াও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, বনায়ন কার্যক্রম, ইউকেলিপটাসসহ ক্ষতিকারক বৃক্ষ রোপণ রোধ, বনভূমি বন্দোবস্ত না দেয়া, অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী ও পারিযায়ী পাখির নিধন প্রতিরোধ, সংরক্ষিত বন ঘোষণার কার্যক্রমে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা কামনা করা হয়েছে।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৩ এর দ্বিতীয় দিবসের ১ম কার্য-অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং এ পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নিষেধাজ্ঞাকালে মৌয়াল ও জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধিভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেন্টমার্টিন, টাঙ্গুয়ার হাওরসহ প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় পরিবেশ ও ইকো-সিস্টেমের সুরক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সেন্টমার্টিনে কোন অবস্থাতেই যাতে নতুন স্থাপনা গড়ে না ওঠে সেদিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা ও সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসকগণ জেলার মাসিক উন্নয়ন সভায় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এজেন্ডা অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, এসকল বিষয়ে সফলতা অর্জনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন তাই জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণের জন্যও জেলা প্রশাসকদের সহায়তা কামনা করা হয়েছে।
দ্বিতীয় দিবসের ১ম কার্য-অধিবেশন পরবর্তী এ প্রেস ব্রিফিং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিপ্তরের মহাপরিচালক ডক্টর আব্দুল হামিদ এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ইউকেবিডিটিভি/ বিডি / এমএসএম