

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেছেন, বাংলাদেশ রপ্তানি আয় বাড়াতে ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তৈরি পোশাকের রপ্তানি বাজার বৈচিত্র্যকরণের ওপর জোরালোভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প জাপানের মতো নতুন ও সম্ভাবনাময় বাজারগুলো অন্বেষণ ও প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগাতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরো বলেন, বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য নতুন সুযোগগুলো খুঁজে বের করা ও সেগুলো কাজে লাগাতে অ্যাপারেল ডিপ্লোমেসি ও ট্রেড মিশন এর মতো উদ্যোগগুলো গ্রহণ করেছে।
২৩ জানুয়ারি ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আরএক্স জাপান লিমিটেডের ইন্টারন্যাশনাল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের প্রধান পরিচালক, হাজিমে সুজুকির সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
আরএক্স জাপান, জাপানের একটি নেতৃস্থানীয় প্রদর্শনী সংগঠক। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আরএক্স জাপানের কুরেনা ওয়াতাবে।
বাংলাদেশ ও জাপানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিশেষ করে যারা ফ্যাশন শিল্পের সঙ্গে জড়িত, তাদের মধ্যে বাণিজ্য যোগাযোগ স্থাপনে বিজিএমইএ ও আরএক্স জাপান সম্ভাব্য কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদান করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা করেন তারা।
একমত প্রকাশ করে তারা বলেন যে, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা জাপানে পোশাক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সামর্থ্য ও সক্ষমতা তুলে ধরতে সক্ষম হবেন এবং জাপানি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীগন বাংলাদেশে তাদের বাণিজ্য সম্ভাবনা অন্বেষণ করার সুযোগ পাবেন।
নিউজ/এম.এস.এম