

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘পর্দার আড়ালে থেকেই আমার মা সবকিছু করতেন। আমার মা বাবাকে সবসময় একটাই কথা বলতেন, সংসার নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না, সেটা আমি দেখবো। তুমি দেশের মানুষের জন্য কাজ করো। স্বামীর পাশে থেকে জীবন উৎসর্গ করা নারীকেও ঘাতকের দল ছাড়েনি। তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুব মহিলা লীগের সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘যখন আমার মা দেখেছে বাবাকে গুলি করা হয়েছে তখন ঘাতকের কাছে নিজের জীবন ভিক্ষা চান নাই। তিনি বলেছিলেন, ওনাকে যেহেতু হত্যা করেছো, আমি এক পাও এখান থেকে লড়বো না। আমাকেও গুলি করো। তারা আমার মাকেও গুলি করে হত্যা করে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্ট শুধু আমার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়নি। আমার মা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে। দেশের মুক্তি সংগ্রামে বাবাকে তিনি সহযোগিতা করেছেন। তার কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা ছিল না। সকল চাহিদার ঊর্ধ্বে উঠে বঙ্গবন্ধুকে সহযোগিতা করে গেছেন। যখন বাবা জেলে থাকতেন তখন আমার মা’ই সংগঠন পরিচালনা করতেন। 
এর আগে বেলা সোয়া ১২টার দিকে সম্মেলনস্থলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। পর জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশিত হয়। এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়িয়ে ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. দীপু মনি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুর সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
নিউজ /এমএসএম