রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রী মব জাষ্টিস বন্ধ না হলে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিনত হতে পারে —ব্যারিস্টার সারা হোসেন মে দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের ২০ বছর পূর্তি উদযাপিত বিএটি বাংলাদেশ পিএলসির ৫৩তম এজিএম অনুষ্ঠিত বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা জাতিসংঘে পার্বত্য চুক্তির অগ্রগতি উপস্থাপন সাধু বাবুর অভিনয়ে কুমিরের পিঠে দেশ

রাষ্ট্রপতির বাণী

মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবীদের অসমান্য অবদান ছিলো

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৬২ এই পর্যন্ত দেখেছেন

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাদের মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ, শিল্প-সাহিত্যের চর্চা ও ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি এবং যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক পরামর্শ দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

আজ ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বলেন, ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বহু গুণীজনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

রাষ্ট্রপতি জাতির সূর্যসন্তান শহিদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন। তিনি শহিদ পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তিনি বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে ধীরে ধীরে মুক্তি সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে সাথে গোটা জাতি মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনে চূড়ান্ত বিজয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন উদ্দেশ্যে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর-আল শামস বাহিনীর সহযোগিতায় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকাসহ সারাদেশে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। নির্মমভাবে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়জুড়েই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। তবে বিজয়ের প্রাক্কালে এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবীদের নির্মম হত্যাকান্ড ছিল জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাঁদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে বলে তিনি মনে করেন।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের ত্যাগ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তিনি প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102