শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সাথে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল এর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত প্রতিভাবান অস্বচ্ছল খেলোয়াড়দের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী সবসময় সহানুভূতিশীল-পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত এসওপি স্বাক্ষর সম্পন্ন উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন যুক্তরাস্ট্র আওয়ামীলীগ সভাপতির গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সভা অনুষ্ঠিত সুনামগন্জ সফরে আসছেন আই জি পি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আউলিয়া মাজারে ওরশ উপলক্ষ্যে পুলিশের ব্রিফিং ও প্যারেড অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ড্রাই ফ্রুটস কতটা স্বাস্থ্যকর?

অনলাইন ডেস্ক
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ৭৮ এই পর্যন্ত দেখেছেন

কনো ফল সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া যায় সেটা খুবই পরস্পরবিরোধী। কেউ কেউ বলে, এটি একটি পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর নাশতা। অন্যরা দাবি করে, এটি চিনির চেয়ে খুব ভালো নয়। যাই হোক, শুকনো ফল আপনার স্বাস্থ্যকে কিভাবে প্রভাবিত করতে পারে চলুন জেনে নিই।

ড্রাই ফ্রুটস বা শুকনো ফলটা আসলে কী?

শুকনো ফল এমন ফল, যা শুকিয়ে প্রায় সব পানির উপাদান অপসারণ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ফল সংকুচিত হয়ে শক্তিসমৃদ্ধ শুকনো ফলে পরিণিত হয়। এই ফলগুলোর মধ্যে আছে কিশমিশ, খেজুর, ডুমুর, এপ্রিকট ইত্যাদি। শুকনো ফলের অন্যান্য ধরনও পাওয়া যায়। যেমন কিছু শুকনো ফলে চিনির প্রলেপ থাকে। এর মধ্যে রয়েছে আম, আনারস, ক্র্যানবেরি, কলা এবং আপেল। শুকনো ফল তাজা ফলের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। দীর্ঘ ভ্রমণে আপনার সঙ্গী হতে পারে।

উপকারিতা

শুকনো ফল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস, ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। তাই শুকনো ফল অত্যন্ত পুষ্টিকর। এক টুকরা শুকনো ফলে তাজা ফলের মতোই পুষ্টি থাকে। তবে দেখতে ছোট মনে হয়, কারণ সব পানি ফল থেকে বের হয়ে যায়।ওজন অনুসারে শুকনো ফলে তাজা ফলের চেয়ে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ ৩.৫ গুণ বেশি থাকে।

>> বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ব্লাডপ্রেশার কমাতে পারে ড্রাই ফ্রুটস। এতে থাকে কিছু অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও পটাশিয়াম। তাই বাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তা, কাঠবাদাম খাওয়া যেতে পারে ব্লাড প্রেশার থাকলে।

>> যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের জন্য খুব কার্যকর। তবে কিশমিশ বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে।

>> ওজন হার্টের রোগ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ বাড়ার কারণ হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে খেতে পারেন ড্রাই ফ্রুটস। এই খাবার সহজেই শরীর থেকে অতিরক্ত মেদ কমায়।

>> শুকনা কিশমিশ রক্তচাপ কমায়, পেট ভরায়, কোলেস্টেরল কমায়, প্রদাহ কমায়। রক্তে চিনির মাত্রাও ঠিক রাখে।

>> খেজুর গর্ভাবস্থায় খুব উপকারী এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে আছে আয়রন, পটাশিয়াম, ফাইবার ইত্যাদি।

অপকারিতা

তবে খুব বেশি শুকনা ফল খাবেন না। এর থেকে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। এ ছাড়া অ্যালার্জির সমস্যা থাকলেও খেতে যাবেন না। কিছু শুকনো ফলকে আরো মিষ্টি এবং আকর্ষণীয় করতে চিনি বা সিরাপের প্রলেপ দেওয়া হয়। এই চিনি স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যেমন ওজন বেড়ে যাওয়া, হৃদরোগ, এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিনিযুক্ত শুকনো ফল এড়িয়ে যাওয়া ভালো।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102