সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আত্ম মর্যাদাশীল মানুষ হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াতে হবে মহিমান্বিত ও অলৌকিক রাত শবে মেরাজ শ্রীমঙ্গলে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে ভারতীয় পন্য সহ আটক ১ দবিরুল ইসলাম ওবিই এর মৃত্যুতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের শোক প্রকাশ মৌলভীবাজারে ধামতিপুরী (রঃ) এর ইসালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্ব নন্দিত আলেম শামসুল উলামা আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ রহঃ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মাছ পাচারকালে ইলিশ সহ দুই ট্রাক আটক জালালাবাদ রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্লাস্টিক সার্জারী সেবা প্রদান শুরু

আমরা কৃষকদেরও ভর্তুকি দিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৫৭ এই পর্যন্ত দেখেছেন

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা আর কত ভর্তুকি দেব? আমাদের কতটুকুই বা সম্পদ আছে? বাস্তবতাটা সবাইকে বুঝতে হবে। তবে মানুষের কষ্ট যেন না হয় সে বিষয়ে আমরা সব সময়ই আন্তরিক। 

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে সদ্যসমাপ্ত সফর নিয়ে বুধবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

বুধবার বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন- আপনি যখন দেশের বাইরে ছিলেন, তখন হঠাৎই ডিজেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা এলো। এ ঘোষণার পরপরই দেশজুড়ে শুরু হয়ে গেল পরিবহন ধর্মঘট। যাতে দুর্ভোগে পড়ে যায় দেশের মানুষ। এরপর বাস-লঞ্চসহ গণপরিবহণের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। আমরা জেনেছি বিদ্যুতের দামও বাড়বে। এতে কৃষকরাও ভোগান্তিতে পড়বেন। তো এ ব্যাপারে আপনি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো পদক্ষেপ নেবেন কিনা?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেখুন আমাদের সামর্থের দিকটাও আপনাদের দেখতে হবে। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না। কারণ তখন তো আমাদেরও উচ্চ দামে তা কিনতে হয়। আপনারা কি জানেন, শুধু ডিজেলেই আমাদেরকে ২৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়। সব মিলিয়ে ৫৩ হাজার কোটি টাকা আমরা ভর্তুকি দিয়ে থাকি। বিদ্যুতেও ভর্তুকি দিচ্ছি। উৎপাদন খরচও তুলতে পারছি না। সারের দামেও অনেক ভর্তুকি দিতে হয়। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষকদেরও ভর্তুকি দিচ্ছি। এখন ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে যায়। ১০ টাকায় কৃষকরা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। সরাসরি টাকা তাদের হাতে চলে যাচ্ছে। আমরা কিন্তু সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছি। 

করোনা সঙ্কটকালের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার সময়ে আমরা সব শ্রেণির মানুষকে সহায়তা করেছি। একবার নয়। বারবার সহায়তা দিয়েছি। জিনিসপত্রের দাম যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। আপনারা জানেন, করোনায় বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি। প্রতিটি ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে চালু থাকে, শ্রমিকরা বেতনটা যেন পায় সেজন্য প্রণোদনা দিয়েছি। অথচ আমাদের কী এমন সম্পদ আছে? প্রতিটা দেশে হাহাকার চলছে। ইউরোপের সুপারশপগুলো খালি। আমাদের সবাইতো টাকা উপার্জন করে। কিন্তু কতজন সত্যিকারভাবে ট্যাক্সটা দেয়?

সরকারপ্রধান বলেন, ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার দিকেই সবার লক্ষ্য। তাহলে সরকারের টাকাটা আসবে কোথা থেকে! তাহলে কি দেউলিয়া হয়ে যেতে হবে? এ দেশ আমার। আমার বাবা এদেশ স্বাধীন করেছেন। এদেশের মাটি-মানুষ সম্পর্কে আমার জানা আছে। মানুষের কষ্ট যেন না হয় সে ব্যাপারে আমি সব সময়ই ভাবি।

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © UKBDTV.COM
       
themesba-lates1749691102