

সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীসহ অন্য যারা নিহত হয়েছেন সেসব ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হচ্ছে। নিহতদের স্বজনেরা বাদি হয়ে থানা এবং আদালতে পর্যায়ক্রমে এসব মামলা দায়ের করছেন। তবে অভিযোগ উঠেছে মামলার বাদীকে ভুল তথ্য দিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে অনেকের নামে অনেক হত্যা মামলায় দেয়া হচ্ছে। আবার কোনো রকম যাচাই-বাছাই না করে মামলায় নাম দেয়া-বাদ দেয়ার কথা বলে বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী অনেকে।
ভুক্তিভোগীদের অনেকের পরিবার অভিযোগ করেছেন, পুরানো ও ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে হয়রানি করতে হত্যা মামলার এজাহারে অনেক নাম দিয়ে দেয়া হয়েছে। যাতে মামলায় নাম ঢুকে- সেজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে উস্কানীমূলক পোষ্ট দিচ্ছেন একাধিক চক্র। সামাজিক অনুষ্ঠানে তোলা অনেকের পুরানো ছবি ফেসবুকে নতুন করে বিকৃতভাবে পোষ্ট করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
ভুয়া আইডি ও পেইজ থেকে চলছে অপপ্রচার, বলা হচ্ছে মামলায় নাম দিয়ে দিতে। অনেক ঘটনায় মামলা নথিভুক্ত হওয়ার আগে কম্পিউটারে টাইপকৃত কাগজে নাম দেখিয়ে তা বাদ দেয়ার কথা বলে একাধিক নিরীহ ব্যক্তিকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনায় জড়িতদের নাম বা সম্পৃক্ততা যাচাই বাছাই না করে মামলা রেকর্ড করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতার নাম ভাঙিয়ে কতিপয় ব্যক্তি থানায় গিয়ে বা ভুক্তভোগীদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ দিয়ে এজাহারে অনেকের নাম দেয়ার অভিযোগ পেয়েছেন গোয়েন্দারাও। অনেক মামলার বাদী এজাহারে থাকা অনেক বিবাদীর ব্যাপারে অবগত নয়- পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ভুক্তভোগীদের অনেকে এমন অভিযোগ করেছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। তবে সাভারে দায়িত্বরত কোনো পুলিশ কর্মকর্তা এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
নিউজ /এমএসএম